নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে ২২০ ড্রামে ৪১ হাজার ৮০০ লিটার চোরাই পামওয়েল উদ্ধার করেছে র্যাব-১১। এ সময় রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও চোরাই কাজে ব্যবহৃত ৩টি ইঞ্জিনচালিত তেলের ট্রলার জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে ছয়হিষ্যা নদী ঘাটে অভিযান চালিয়ে এসব চোরাই তেল উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব এসব তথ্য সাংবাদিকের জানায়।
র্যাব জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল সোনারগাঁ থানাধীন ছয়হিষ্যা নদীর ঘাটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। তখন ২২০টি ড্রামে ৪১ হাজার ৮০০ লিটার চোরাই পামওয়েল উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ২১ লক্ষাধিক টাকা।
এ সময় চোরাই তেলের ব্যাপারটি আইনের আওতায় না আনার জন্য চোরাই তেলের মূলহোতা মোঃ রফিকুল ইসলাম র্যাব সদস্যদের দশ লাখ টাকা উৎকোচ দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। উক্ত আসামি জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধভাবে পামওয়েলসহ অন্য ভোজ্য ও জ্বালানি তেল চোরাইভাবে কেনাবেচা করে আসছে। এই চোরাই পাম ওয়েল নারায়ণগঞ্জ সহ ঢাকার বিভিন্ন তেল ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করতো সে।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতার মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪২) ছয়হিষ্যা ঘাটে বেশ কয়েকটি চোরাই পামওয়েলের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। এই সিন্ডিকেট ছয়হিষ্যা ঘাট এলাকায় চলমান জাহাজ হতে সুকৌশলে দীর্ঘদিন যাবৎ পামওয়েলসহ অন্য তেল চুরি করে আসছে।
উক্ত চোরাইচক্র এই পামওয়েলের সঙ্গে ভেজাল তেল মিশিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে এই তেল সরবরাহ করে থাকে। জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত মোঃ রফিকুল ইসলাম এই চোরাই পামওয়েল সিন্ডিকেটের মূল হোতা। তার পিতার নাম মৃত আবুল কাসেম সরকার। বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানাধীন ছয়হিষ্যা গ্রামে।
আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে পিকআপভ্যান উল্টে ব্যবসায়ী নিহত
গ্রেফতার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে র্যাব জানায়।
ইত্তেফাক/নূহু
