জো ক স

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:৩৭

  সত্যজিত্ বিশ্বাস

চাকরি থাকব?

পুলিশ ইন্সপেক্টার :এই যে এত চুরি-ছ্যাঁচড়ামি করো, খারাপ লাগে না?

চোর :লাগে না আবার? খুব লাগে। মাঝেমধ্যে তো ইচ্ছা হয় এইসব ছাইড়াই দেই।

পুলিশ ইন্সপেক্টার :তাহলে ছেড়ে দাও না কেন?

চোর :আবার যখন আপনাগো কথা মনে পড়ে, তখন আর ছাড়তে পারি না।

পুলিশ ইন্সপেক্টার :তার মানে?  

চোর :দেশ থেইকা যদি চুরি ছ্যাঁচড়ামি সব উইঠা যায়, আপনাগো চাকরি থাকব? আর চাকরি না থাকলে খাইবেন কী? চলবেন কেমনে?

 

একটা বই কিনতে চাইলাম বলে :১

প্রথম বন্ধু :কীরে মন খারাপ করে বসে আছিস যে?

দ্বিতীয় বন্ধু :মেডিকেলের একটা বই কেনার জন্য বাবাকে টাকা পাঠাতে বলেছিলাম। বাবা উল্টো ধমকে দিয়ে বলল, যথেষ্ট পড়ালেখা হয়েছে, আর লাগবে না। এবার বাড়ি ফিরে আয়। 

প্রথম বন্ধু :কী বলিস এসব? একটা বই কেনার কথা শুনে কেন এটা বলবে?  

দ্বিতীয় বন্ধু :সত্যি বলছি। বইটার জন্য টাকা চাওয়া মাত্রই বাবা এটা বলল। 

প্রথম বন্ধু :বইটার দাম কত ছিল রে?

দ্বিতীয় বন্ধু :কেন? ৮৫,৫০০ টাকা। 

 

একটা বই কিনতে চাইলাম বলে :২

প্রথম বন্ধু :কীরে মন খারাপ করে বসে আছিস যে?

দ্বিতীয় বন্ধু :মেডিকেলের একটা বই কেনার জন্য বাবাকে টাকা পাঠাতে বলেছিলাম।

প্রথম বন্ধু :তো, কী হয়েছে? তোর বাবা টাকা পাঠায়নি?   

দ্বিতীয় বন্ধু :আরে না, মেজাজটা কেমন লাগে বল?

প্রথম বন্ধু :কী বলিস এসব! পড়ার বই কেনার কথা শুনেও টাকা পাঠায়নি?  

দ্বিতীয় বন্ধু :না। বইটা কিনে পাঠিয়ে দিয়েছে। 

 

কী হিসেবে?

সাংবাদিক :আচ্ছা, ৫০০০ টাকা দামের বই ৮৫,৫০০ টাকা দিয়ে কেনা ব্যাপারটাকে আপনারা কী হিসেবে নেবেন?

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর :কেন, প্রিন্টিং মিস্টেক হিসেবে নেব। 

 

আমার মামা সব জানে

ভাগ্নে :আচ্ছা মামা, ‘৫০০০ টাকা দামের বই ৮৫,৫০০ টাকা দিয়ে কেনা’-এর মধ্যে কী যুক্তি থাকতে পারে?

মামা :‘কী যুক্তি’ না তো ‘কু যুক্তি’।   

 

ওভার কোয়ালিফাইড

কোম্পানির মালিক :বিদেশে কিছু প্রতিনিধি পাঠাতে চাই। যারা ওখানে গিয়ে কোম্পানির কিছু প্রোডাক্ট বিক্রি করবে। পারবেন? 

চাকরি প্রার্থী :পারব না মানে? শুধু কোম্পানির প্রোডাক্ট কেন, চাইলে কোম্পানিটাও বিক্রি করে দিয়ে আসতে পারি।  

কোম্পানির মালিক :ইয়ে, আপনি দেখছি ওভার কোয়ালিফাইড। আমরা আরেকটু কম দক্ষ লোক খুঁজছি।  

 

কিসের জন্য কী লাগে

প্রথম বন্ধু :এটা কোনো কথা হলো? পুকুর কাটার প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশ যাওয়া লাগে?  

দ্বিতীয় বন্ধু :না ঠিক তা না। বিদেশ যাওয়ার জন্য অজুহাত লাগে।  

 

কাদের থাকে, কাদের থাকে না?

ছেলে :আচ্ছা বাবা, আত্মমর্যাদা কী জিনিস? 

বাবা :আত্মমর্যাদা হলো একটা মহত্ গুণ। 

ছেলে :এই গুণ কাদের থাকে, কাদের থাকে না? 

বাবা :ব্যাচেলরদের থাকে, বিবাহিতদের থাকে না।

 

ক্ষতিকারক

শিক্ষক :বল তো, ‘সুমন সিটি কর্পোরেশনে গিয়ে মশার কামড় খায়’—এ বাক্যটিতে ‘সিটি কর্পোরেশন’ আর ‘মশার কামড়’ কোন কারক?  

ছাত্র :দুটোই ক্ষতিকারক স্যার। ডেঙ্গু হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

 

বড় হয়ে কী হবি?

বাবা :কীরে এই বয়সেই চুরি করা শিখে গেছিস? বড় হয়ে কী হবি?

ছেলে :কেন, ঋণখেলাপি।

 

গরিব, বড়লোকের পার্থক্য

বাচ্চা :বাবা, গরিব কারা? 

বাবা :যাদের টাকাপয়সার ‘অভাব’, তারা গরিব। 

বাচ্চা :তাহলে যাদের টাকাপয়সার অভাব নেই, তারা বড়লোক?  

বাবা :উহু। ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়েও ‘খুব অভাব’-এর কারণে শোধ করতে পারে না, তারা বড়লোক।

 

সত্যি তো?

ভিক্ষুক :বাবা, কিছু ভিক্ষা দেন। আপনার মনের আশা পূরণ হবে।

ঋণখেলাপি (ব্যাংকের সিঁড়িতে উঠতে উঠতে) :সত্যি বলছ তো?