শেষ মুহূর্তে এসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে ভারতের চন্দ্র অভিযান সাফল্যের মুখ দেখতে পারেনি। ফলে তা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন পাকিস্তানের বিজ্ঞানমন্ত্রী ও প্রযুক্তি বিষয়কমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী।
ভারতের চন্দ্রযান-২ কে খেলনার সঙ্গে তুলনা করে তিনি টুইটারে লিখেন, ‘ভাই চাঁদের বদলে খেলনাটা সোজা মুম্বাইয়ে নেমে পড়েছে।’
টুইটারে অপর আরেকটি পোস্টে ভারতকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, ‘আও... যে কাজটা করতে পারো না, সেটা করারই দরকার নেই। প্রিয় এন্ডিয়া।’ ভারত ইন্ডিয়ার বানান যেভাবে লিখে তার বদলে তিনি ইংরেজিতে ‘এন্ডিয়া’ লিখেছেন।
তিনি আরো লিখেন, ‘ভারতীয়রা অদ্ভুত প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন। তাদের দেখে মনে হচ্ছে, তাদের চাঁদের অভিযান আমার জন্য ব্যর্থ হয়েছে। ভাই, আমি কি তাদের ৯০০ কোটি রুপি নষ্ট করতে বলেছিলাম? এবার ধৈর্য ধরো, আর মাথা ঠাণ্ডা করে ঘুমিয়ে পড়।’

২৩ জুলাই অন্ধ প্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ হয় চন্দ্রযান ২। ছবি: এনডিটিভি
শনিবার রাতে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের আশায় ছিল ভারত। তবে শেষমেশ মিশন সফলের বার্তা দিতে পারেনি ইসরোর বিজ্ঞানীরা।
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) বিজ্ঞানীরা জানান, শনিবার চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণের কয়েক সেকেন্ড আগেই চন্দ্রযান- ২ এর ল্যান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
রাত ২.২০ মিনিটে ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবন জানান, চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ২.১ কিলোমিটার পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে চলছিল চাঁদে অবতরণকারী যান ‘বিক্রম’। তারপর ল্যান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে এটি নামার কথা ছিল। যদি এই অভিযান সফল হতো তাহলে উপগ্রহের দক্ষিণ গোলার্ধ বা মেরুতে নামার জন্য প্রথম দেশ হতো ভারত। কারণ এতদিন সমস্ত অভিযান চাঁদের উত্তর মেরু বা গোলার্ধ এবং নিরক্ষীয় অঞ্চলে হয়েছে। এ অভিযান পরিচালনা করতে ভারতের ব্যয় হয়েছে এক হাজার কোটি রুপি।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
