এবার মহান বিজয় দিবস ব্যাপক জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তা উদযাপন করা হবে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সভা-সমাবেশ, সাজসজ্জা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, বিজয় শোভাযাত্রা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার প্রকাশ। গতকাল শনিবার বিজয় দিবসটি ব্যাপকভাবে পালনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনকে চিঠি দিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। চিঠিতে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করলে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ আর ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তত্কালীন রেসকোর্স ময়দান) পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে এবং পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। এদেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগঠন আওয়ামী লীগ। চিঠিতে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের স্বাধীনতাকামী সকল মনুষের সাথে একাত্ম হয়ে বরাবরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর এবং উত্সবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করবে।
