বগুড়ার আদমদীঘিতে তিয়রপাড়া এলাকায় স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত রবিবার রাতের এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে।
ধর্ষিতার চাচা জানান, তার বড় ভাই পরিবার নিয়ে সান্তাহার রেলওয়ে ইয়ার্ড কলোনিতে বসবাস করেন। ভাইয়ের মেয়ে স্বামী পরিত্যক্তা (২০) শখের পল্লী নামক বিনোদন কেন্দ্রে পান-সিগারেটসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকান দিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। গত রবিবার সন্ধ্যায় তিনি দোকান বন্ধ করে চাচাতো ভাই সুজন আলীকে সাথে নিয়ে সান্তাহার থেকে কাশিমালা গ্রামে তার অসুস্থ ফুফুকে দেখতে যাচ্ছিলেন। তাদের বহন করা ভ্যান সন্ধ্যা ৭টায় তিয়রপাড়া খাড়ীর ব্রিজে পৌঁছা মাত্র সেখানে অবস্থান করা ১২ থেকে ১৪ জন বখাটে যুবক ভ্যান আটকিয়ে দেয়। এসময় যাত্রী সুজন এবং ভ্যান চালক রকির নিকট থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এরপর মারপিট শুরু করলে তারা পালিয়ে যায়। এসময় বখাটেরা ঔই নারীর নিকট থেকে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার পর টেনে হিঁচড়ে ভ্যান থেকে নামিয়ে খাল পাড়ে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে অজ্ঞাত ব্যক্তির ফোনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই নারীর স্বজনরা রাতের আঁধারে ওই স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে দমদমা গ্রামের নিকট খালের বাঁধ থেকে ওই নারীকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে। এক পল্লী চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নওগাঁ আধুনিক হাসপাতালে তাকে ভর্তি করানো হয়। তিনি বর্তমানে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ রিপোর্ট পাঠানোর সময় পর্যন্ত এঘটনায় আদমদীঘি থানায় মামলা হয়নি। অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দীন ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসএস
