জাতীয় সংগীত ধারণ করা হোক হূদয়ে

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:১৪

 ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি,/চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি’—আমাদের জাতীয় সংগীতের দু চরণ। জাতীয় সংগীত আমরা কমবেশি সবাই গাই। কিন্তু গানের অর্থ কি সকলে জানি কিংবা অর্থটা কি হূদয়ে ধারণ করার চেষ্টা করি? গানটার কিছু অংশ গাওয়া হয়, কিন্তু পুরো গানটার মধ্যে কী অমৃত লুকিয়ে আছে তা ক’জন জানে? তুলনামূলক সহজ ভাষা কিন্তু কী গূঢ় অর্থ! ‘মা তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়ন জলে ভাসি’ কিংবা ‘ও মা, আমার যে ভাই তারা সবাই, ও মা, তোমার রাখাল তোমার চাষি’ অথবা ‘ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে—দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে’—এই কথাগুলো গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো। আমরা সবাই বুক ফুলিয়ে জাতীয় সংগীত গাই, কিন্তু তার মর্ম অনুধাবনের চেষ্টা করি না। যদি জাতীয় সংগীতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তার অর্থগুলো হূদয়ে ধারণ করতে পারতাম—তাহলে দেশের প্রতি আমাদের মমত্ববোধ কেমন হতো তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

শুভ বর্মণ পার্থ

সিলেট