ধর্ষকের সঙ্গে গণধর্ষণের শিকার এক নারীর বিয়ে দেওয়ার ঘটনায় পাবনার সদর থানার ওসিসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপগুলো পর্যবেক্ষণ করছে হাইকোর্ট। আদালত বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে আমরাও বিষয়টি নজরে রেখেছি। যেহেতু কর্তৃপক্ষ অ্যাকশন নিচ্ছে সেটা দেখি। যদি প্রশাসনের ব্যবস্থা সন্তোষজনক না হয় তখন আপনাদের আদালতে আসার সুযোগ তো রয়েছেই। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ মন্তব্য করেন।
গত ২৯ আগস্ট তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী রাসেল আহমেদ ও তার সহযোগীরা। স্বামী থাকার পরেও ধর্ষকের সঙ্গে ঐ নারীকে বিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে ওসি ওবায়দুল হকের কাছে ব্যাখ্যা চায় পুলিশ প্রশাসন।
গতকাল বুধবার মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো হাইকোর্টের নজরে আনেন আইনজীবী জামিউল হক ফয়সাল। তখন হাইকোর্ট বলেন, এ বিষয়ে তো ইতিমধ্যে প্রশাসন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ওসিকে শোকজ করা হয়েছে। এটা নিয়ে কেন আসছেন? আইনজীবী বলেন, ওসিকে শোকজ করা হয়েছে ঠিক। কিন্তু পত্রিকায় এসেছে বিয়ের কাজি ও ভিকটিমের পরিবারকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন ওসির লোকজন। ঐ ওসি যদি ঐ থানায় দায়িত্বে বহাল থাকে তাহলে তদন্ত ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে। আদালত বলেন, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আদালতে আসতে পারবেন।
