ফরিদপুর জেলার বৃহত্ পাট বাজার কামারখালী ও মধুখালী হাটে চলতি মৌসুমে পাট আমদানি কম। আবার পাটের মূল্য কম হওয়ায় পাট চাষিরা হতাশ। গত বছরের তুলনায় এ বছর মারাত্মক হারে দাম কমে যাওয়ায় পাট চাষিরা বিপাকে পড়েছে। আবার অনেক কৃষক এখন পানির অভাবে পাট পচাতে না পেরে হতাশায় ভুগছেন। দুই-একজন পাট শুকিয়ে খড়িও করছেন মনের কষ্টে।
মধুখালী ও কামারখালী হাটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিমণ পাট গুণগত মান যাচাইয়ে ১২০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৯০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মধুখালী হাটের পাট ক্রেতা মোহাম্মাদ আলী মিয়া জানান, এ বছর পাটের আমদানি কম। কারণ এখনো অনেক কৃষক পানির অভাবে পাট পচাতে পারেননি। যে এলাকায় ভর গ্রামের মধ্যে একটু পানি আছে তাদের পাট খুবই কম ঐ পাটের দর ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকা পর্যন্ত কেনা হচ্ছে। উঁচু এলাকার পাট মান-গুণে খারাপ সে পাট ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত চলছে। মিলমালিকরা পাটের গুণাগুণ বিবেচনা করে পাটের মূল্য দেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার প্রতাব মণ্ডল জানান, মধুখালী উপজেলায় চলতি মৌসুমে অর্থাত্ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মধুখালী উপজেলায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে। আর পাটের আবাদ হয় ৮ হাজার ৩৪৬ হেক্টর জমিতে। এ বছর চাষিরা পানির অভাবে অনেক পাট এখনো পচাতে পারছে না। তবে পর্যাপ্ত পানি পেলে পাটের রং ও মান-গুণে পাটের উত্পাদন ভালোই হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।
