জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে গোলাম রাব্বানী ও শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনের কথিত ফোনালাপকে মিথ্যা গল্প ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে উল্লেখ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পৃথক বিবৃতিতে একই দাবি করেছে আওয়ামীলীগের শিক্ষকদের একাংশের সংগঠন ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’ও।
ফাঁস হওয়া ফোনালাপে বলতে শোনা যায়, জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকে এক কোটি ভাগ করে দিয়েছেন। উপাচার্যের বাসায় টাকা বাঁটোয়ারার ওই বৈঠকে সাদ্দাম নিজেও উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিস থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উপাচার্যের সঙ্গে টাকা ভাগের কোনো আলাপ হয়নি। তিনি কাউকেই অর্থ প্রদান করেননি। উপাচার্যকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গোলাম রাব্বানী এই ফোনালাপের গল্প তৈরি করেছেন। এ ধরনের পরিকল্পিত গল্পের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে প্রশাসন।
বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সভাপতি-সম্পাদক স্বাক্ষরিত পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাব্বানীর সঙ্গে শাখা ছাত্রলীগ নেতার ফোনালাপ পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রের অংশ। আমরা মনে করি, স্বার্থন্বেষী গোষ্ঠী তাদের অন্যায় দাবি পূরণ করতে না পেরে উপাচার্যের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।’
ফোনালাপের বিষয়ে জানতে চাইলে সাদ্দাম হোসাইন বলেন, ‘উপাচার্য ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি আমাদেরকে এই আর্থিক সহযোগিতা করেছিলেন। তিনি কোথা থেকে এ টাকা দিয়েছেন সেটা তিনি ভালো জানেন।’
এদিকে গতকাল দুপুরে শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নেয়ামুল হোসেন তাজ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনের নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী ক্যাম্পাসে শোডাউন করে। ফোনালাপের বিষয়ে জানতে চাইলে তাজ বলেন, ‘উপাচার্যের বাসভবনের সেই মিটিংয়ে আমিও ছিলাম। প্রতিবার ঈদের যেমন সালামী দেওয়া হয়। সেদিনও সালামী দেওয়া হয়েছিলো।’
