সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ বলেছেন, তার দেশ যে কোনো হামলার পাল্টা জবাব দিতে সক্ষম ও প্রস্তুত। মন্ত্রিপরিষদের সঙ্গে বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে বাদশাহ এই হুঁশিয়ারি দেন। সৌদি তেল ক্ষেত্রে হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর হুমকি দিলেও আতংকিত নয় বলে জানিয়েছে ইরান। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চান না। এদিকে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার তেল ক্ষেত্রে হামলা ও ইরনা নিয়ে গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের দাবি করেছেন। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের
ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি সিদ্ধান্ত বদলায় ও চুক্তি থেকে সরে যাওয়া নিয়ে অনুশোচনা করে চুক্তিতে আবারো ফিরে আসে তাহলেই কেবল ইরানের সঙ্গে তারা মীমাংসা করতে পারবেন। তা না করলে, কোনো পর্যায়েই কোথাও কথাবার্তাই হবে না। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা মোটামুটি নিশ্চিত যে শনিবার সৌদির দুটো প্রধান তেল ক্ষেত্রে ড্রোন হামলার পেছনে সরাসরি ইরানের হাত ছিল। প্রমাণের জন্য তারা বিভিন্ন স্যাটেলাইট চিত্র এবং অন্যান্য গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি নিশ্চিত যে, ইরানই সৌদি তেলক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছে। তবে তিনি দেশটির সঙ্গে যুদ্ধ এড়াতে চান। কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চান যাতে তেলের বাজার হুমকিতে না পড়ে। যদিও এর আগের দিন ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ইরানের সংশ্লিষ্টতার পুরোপুরি প্রমাণ পেলে যুদ্ধ শুরু করতেও তিনি পিছপা হবেন না।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর হুমকি নিয়ে শুরু হয়েছে গভীর উদ্বেগ। রাশিয়া হুঁশিয়ার করেছে, কোনোভাবেই যাতে উপসাগরে আরেকটি যুদ্ধ না বাঁধানো হয়। জাতিসংঘে রাশিয়ার দূত ভাসিলি নেবেনযিয়া বলেছেন, এ ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপসাগরে বৃহত্তর কোনো সংঘাত শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে রাশিয়া খুবই উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চল এবং আশপাশে এমনিতেই অনেক সমস্যা। সুতরাং নতুন একটি সমস্যা ঐ অঞ্চলে সর্বনাশ ডেকে আনবে। রাশিয়া চায় যে কোনো মূল্যেই যেন যুদ্ধ এড়ানো যায়।
