ভাবির পরকীয়ায় দেবর হত্যার রহস্য উত্ঘাটন

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:০৫

পাবনার সাঁথিয়ায় যুবকের লাশ উদ্ধারের তিন দিন পর হত্যাকাণ্ডের ক্লু উদ্ঘাটন করেছে থানা পুলিশ।

ভাবির সঙ্গে খালাত ভাইয়ের পরকীয়া সম্পর্ক দেখে ফেলায় জীবন দিতে হলো কাওছার (১৭) কে। এ ঘটনায় ভাবি মুসলিমাসহ আটক তিন জন বুধবার পাবনা আদালতে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, উপজেলার পুরাট গ্রামের শুকুরের ছেলে মালেককে ফোনলিস্ট দেখে ১৭ সেপ্টেম্বর আটক করা হয়।

মালেক জানান, হাসানপুর গ্রামের খালেক মোল্লার বাড়িতে (খালুর বাড়িতে) থাকাকালে তার বড়ো ছেলের স্ত্রী মুসলিমার সঙ্গে মালেকের অবৈধ সম্পর্ক হয়। অবৈধ সম্পর্ক তার খালাত ভাই কাওছার দেখে ফেলে। পরে ভাবি কাওছারকে হত্যার পরিকল্পনা করে। গত শুক্রবার রাতে মালেক কাওছারকে গাঁজা খাওয়ার কথা বলে প্রথমে হাসানপুরের সুমনের মত্স্য খামারে নিয়ে যায়। সেখানে লোকজন থাকায় তারা পাশের রেললাইনে নিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে কাওছারকে হত্যা করে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে চার জন মিলে রেলের পাতে মাথায় আঘাত করতে থাকে। পরে শরীরের শার্ট ও গেঞ্জি দিয়ে হাত পা  বেঁধে পাশের খালে ফেলে দেয়।

সোমবার রাতে কাওছারের বাবা খালেক বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে উপজেলার খালইভরা গ্রামের রুবেল ও হাসানপুর গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রী কাওছারের ভাবি মুসলিমাকে আটক করে পুলিশ।

সাঁথিয়া থানার এসআই রাশেদুল ইসলাম জানান, ভাবিসহ পাঁচ জন আসামির মধ্যে তিন জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে।