জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্যাম্পে সেদেশের সিমকার্ড ব্যবহার করছে। টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্তবর্তী ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গারা এ নেটওয়ার্ক সুবিধা গ্রহণের প্রতি ঝুঁকছে বেশি। অন্যদিকে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দি ক অপরাধ দমনে উখিয়া-টেকনাফে বাংলাদেশি মোবাইল নেটওয়ার্ক সীমিত রাখায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয়রা। ক্যাম্প ও তার আশপাশে ইন্টারনেট ব্যবহার ও মোবাইলে কথা বলতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এতে গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসনসহ স্থানীয় পেশাজীবীরা বেকায়দায় পড়েছেন।
সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে আশ্রিত জীবনে আসার পর থেকে কৌশলে বাংলাদেশি সিম সংগ্রহ করে কথা ও ইন্টারনেট যোগাযোগ রেখে আসছিল রোহিঙ্গারা। কিন্তু ২৫ আগস্টের মহাসমাবেশের পর থেকে উখিয়া-টেকনাফে মোবাইল নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করছে সরকার। ফলে স্থানীয়দের মতো রোহিঙ্গারাও মোবাইলে আগের মতো যোগাযোগ করতে পারছিল না। তবে কয়েক দিনের মধ্যেই বিকল্প ‘আবিষ্কার’ করে ফেলেছে তারা। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও টেকনাফ থেকে মিয়ানমারের সিমকার্ড সংগ্রহ এবং মিয়ানমারে অবস্থানরত বিভিন্ন আত্মীয়দের মাধ্যমে মোবাইলে রিচার্জ করছে রোহিঙ্গারা। ফোনের ডিসপ্লেতে ইংরেজিতে ‘এমপিটি’ লেখা দেখা গেছে। ০৯৮৯১৬৮৮.., ০৯২৬৩১৭৯৬.., ০৯৪০৯৩২০৪.. এ ধরনের ১১ ডিজিটের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করছে তারা। রোহিঙ্গারা জানায়, টেকনাফের জাদিমুড়া, হ্নীলা, নয়াপাড়া, মুচনী এসব ক্যাম্প নাফনদীর কিনারায় হওয়ায় মিয়ানমারের নেটওয়ার্ক ভালো পাওয়া যায়। বাংলাদেশি অপারেটরদের চেয়েও বেশি কার্যকর সেবা পাওয়া যায় মিয়ানমারের এসব নেটওয়ার্কে।
