বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন পত্রিকায় এসেছে, ঢাকায় ৬০টি ক্যাসিনো রয়েছে। এগুলো চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতারা। আর এসবে মদত দিচ্ছে সরকার। আজকে নিজেরা ধরা খেয়ে অন্যদের ওপর দোষ চাপাতে চায়। আওয়ামী লীগের দুঃশাসন ও দুর্নীতি এটা এখন আর অন্য কাউকে বলতে হচ্ছে না। গত কয়েক দিনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লোকেরাই প্রমাণ করছে যে, তারা বাংলাদেশের সম্পদ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। গত ১২ বছরে তারাই দেশকে শ্মশানে পরিণত করেছে। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে যুবদল আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ দাবি করেন। ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসামূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি উপলক্ষ্যে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, গত কয়েকদিন আগে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক ধরা পড়লো ‘ফেয়ার শেয়ার’ নিতে গিয়ে। তার কথোপকথন এরই মধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর যাদেরকে আমরা সম্মান করি তারাও আজ ঘুষ ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ভাইস চ্যান্সেলরের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন। ভর্তি হচ্ছে বিনা পরীক্ষায়, সেখানেও দুর্নীতি চলছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক সবাই রাস্তায় নেমেছেন। গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। এই অবৈধ সরকার বেছে বেছে খারাপ লোকদের ভিসি পদে নিয়োগ দিয়েছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, আসামে যা হোক তাতে আমাদের কোনো বাধা ও মাথাব্যথা নেই। কিন্তু যখন তাদের (ভারতে) মন্ত্রীরা বলেন, এরা বাংলাদেশি। এদেরকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। তখন নিশ্চয়ই এটা আমাদের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, ১৯৭১ সালের পরে আমাদের কোনো মানুষ ভারতে যায়নি। কেননা আমরা অর্থনৈতিক দিক থেকে ওদের চেয়ে অনেক ভালো আছি।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরবের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, মোরস্তাজুল করিম বাদরু, নূরুল ইসলাম নয়ন, মামুন হাসান প্রমুখ।
