চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাত জন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে দুই শিশু ও গাড়ির দুই চালক রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
সাভারের ইত্তেফাক রিপোর্টার জানান, সাভারে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপ চালকসহ চার জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সাভারের আমিনবাজার, বলিয়ারপুর, গেণ্ডা ও কলমা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, গতকাল সকালে সদর ইউনিয়নের কমলা এলাকায় বাদল ভূঁইয়া (২৭) নামে এক যুবক মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দেওয়ালের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এর আগে ভোররাত ৪টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গেন্ডা এলাকায় একটি ট্রাক অপর একটি অটোরিকশাকে পেছন থেকে ধাক্কা দিলে গুরুতর আহত হন চালকসহ তিন জন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিত্সক রিকশাযাত্রী শাহীন আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে একই সড়কের আমিনবাজার এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আতাউর রহমান (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। এছাড়া সাভারের বলিয়ারপুর বন্ধন সিএনজি পাম্প এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুত গতির একটি গাড়ির চাপায় জীবন ইসলাম (২৫) নামে এক পিকআপের চালক নিহত হন। সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ জানান, এসব ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে।
হোমনা (কুমিল্লা) সংবাদদাতা জানান, গতকাল হোমনায় বালুবাহী ট্রাকের চাপায় আফরোজা (৬) নামে এক শিশু নিহত ও শিশুর দাদি রোকেয়া বেগম আহত হয়েছেন। উপজেলার লটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আফরোজা ঐ গ্রামের মো. সফিকুল ইসলামের মেয়ে।
লালপুর (নাটোর) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার রহিমপুরে ডিম ভর্তি পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়লে নিলু (৩২) নামে এক চালক নিহত ও হেলপার শাহীন আলম আহত হয়েছেন। নিলু রাজশাহী খড়খড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। হেলপার শাহীন আলম রাজশাহীর বাগমারা এলাকার উত্তর সাজুরিয়া গ্রামের ইয়াদালীর ছেলে। রাজশাহী থেকে খুলনা যাওয়ার পথে গতকাল এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি জানান, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চোরকোলে আলমসাধু ও ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যানের সংঘর্ষে তাছির হোসেন নামে আড়াই বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। এ সময় তার বাবা মিলন হোসেন (৩১) ও মা রিমা খাতুন (২২) আহত হন। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে চোরকোল গ্রামের ফকিরচারা ব্রিজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
