সোনারগাঁও প্রাণিসম্পদ অফিসে পিয়নের ইনজেকশনে ছাগলের মৃত্যু

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০৯

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পিয়ন দিয়ে চিকিত্সা করা হয় বিভিন্ন প্রাণীর। গতকাল রবিবার দুপুরে প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের পিয়ন টুটুল মিয়া কয়েকটি গবাদি পশুর গায়ে ইনজেকশন পুশ করলে একটি উন্নত জাতের ছাগলের মৃত্যু হয়। এছাড়াও আরো তিনটি ছাগল ও একটি ভেড়া পঙ্গু হয়ে যায়। তবে এ ঘটনার জন্য মূলত দায়ী করা হচ্ছে ভেটেরিনারি ইনচার্জ শাখাওয়াত হোসেনকে।

জানা যায়, উপজেলার উদ্ভবগঞ্জ এলাকার ফারুক মিয়ার ছেলে রিফাত রংপুর থেকে তোতাপুরি নামের উন্নত জাতের চারটি ছাগল কিনে নিয়ে আসেন। ছাগলগুলোর সর্দি হলে গতকাল চিকিত্সার জন্য সোনারগাঁও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে সেগুলোকে নিয়ে যান তিনি। এসময় ঐ কার্যালয়ে কোনো ভেটেরিনারি ডাক্তার না থাকায় অফিস পিয়ন টুটুল মিয়া ছাগলগুলোকে ইনজেকশন পুশ করে। এতে ঘটনাস্থলেই একটি ছাগলের মৃত্যু হয়। বাকি তিনটি ছাগল ইনজেকশন পুশ করার আধা ঘণ্টা পর পঙ্গু হয়ে যায়।

ছাগলের মালিক রিফাত মিয়া জানান, ছাগলগুলোর সর্দি হলে পশু হাসপাতালে নিয়ে যাই। আমি ডাক্তার পিয়ন কাউকে চিনি না। পরে জানতে পারি আমার ছাগলগুলোকে যে ইনজেকশন দিয়েছেন তিনি এ হাসপাতালের পিয়ন।

পিয়ন টুটুল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘শাখাওয়াত স্যারের সঙ্গে পরামর্শ করে ছাগলগুলোকে ইনজেকশন পুশ করেছি।’ আপনি গবাদি পশুর চিকিত্সা করতে পারেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি নিশ্চুপ থাকেন। কার্যালয়ের ভেটেরিনারি ইনচার্জ ডা. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, লোকবল কম থাকার কারণে এ অফিসের ছোটোখাটো কাজগুলো পিয়ন দিয়ে করানো হয়। নিয়ম না থাকলেও কোনো উপায় থাকে না। সোনারগাঁও উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।