জুটির কীর্তিতে সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকার

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০১৮, ২১:৫৬

২৫ ওভার শেষে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ছিল তিন উইকেটে ৯৩ রান। সেখান থেকে ৫০ ওভার শেষে হোবার্টে সফরকারীরা পাঁচ উইকেট হারিয়ে করে ৩২০ রান। ইনিংসের দ্বিতীয় ২৫ ওভারে মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে প্রোটিয়ারা স্কোরবোর্ডে জমা করে ২২৭ রান।

মানে বলা যায় এ সময়টাতে আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক টি-টোয়েন্টি মেজাজে ব্যাট চালিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানরা। আরো নির্দিষ্ট করে বললে তাণ্ডব চালান দুজন— ডেভিড মিলার ও অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস। রেকর্ড জুটির পথে ডু প্লেসিস পেয়েছেন তার দশম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। মিলার পেয়েছেন তার পঞ্চমটি।

মিলার ১৩৯ ও ডু প্লেসিস করেন ১২৫ রান। মিলারের ১০৮ বলের ইনিংসে ছিল ১৩টি চার ও চারটি ছক্কা। অন্যদিকে ডু প্লেসিস ১০৪টি বল খেলে হাঁকান ১৫টি চার ও দুটি ছক্কা। ৫৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর জুটি বেঁধেছিলেন এ দুজন। ৪৯তম ওভারে ডু প্লেসির বিদায়ে ভাঙে ২৫২ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে যেকোনো উইকেটে এটাই এখন দক্ষিণ আফ্রিকার সবচে বড় জুটি এটি। আগের রেকর্ডেও জড়িয়ে আছে ডু প্লেসির নাম। ২০১৪ সালে হারারেতে ত্রিদেশীয় সিরিজে এবি ডি ভিলিয়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ২০৬ রানের জুটি গড়েছিলেন ডু প্লেসিস।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ২শ ছাড়ানো জুটি এ দুটিই। তৃতীয় সর্বোচ্চ জুটি ১৮৭ রানের, ২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে হার্সেল গিবস ও গ্রায়েম স্মিথের। আর বলা যায় ডু প্লেসিস-মিলারের এ ঐতিহাসিক জুটিতেই ম্যাচ জিতে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া। জয়ের ব্যবধান ৪০ রানের। এর ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে গেল সফরকারীরা। আগামী ১৭ নভেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

দক্ষিণ আফ্রিকার ৩২০ রানের জবাবে নির্ধারত ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৮০ রান করে অস্ট্রেলিয়া। বৃথা যায় শন মার্শের সেঞ্চুরি। ১০২ বলে সাতটি চার ও চারটি ছক্কায় ১০৬ রান করেন তিনি। এ ছাড়া মার্কাস স্টোয়িনিস ৬৩, অ্যালেক্স ক্যারে ৪২ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৩৫ রান করেন। তিনটি করে উইকেট নেন দুই পেসার — ডেল স্টেইন ও ক্যাগিসো রাবাদা। এর বাদে দুটি উইকেট নেন ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস।