নিবন্ধনধারীদের প্রতি সুবিচার হোক

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:০৬

গত ৩ ডিসেম্বর ১ থেকে ১৪ নিবন্ধনের জাতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, অতি দ্রুত তাদের নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রশ্ন হলো, কেন ১৩ ও ১৪ তম নিবন্ধনধারীদের ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের সঙ্গে যুক্ত করা হলো? ১৩ ও ১৪ তম নিবন্ধন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে। ২০১৫ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে (স্কুল-কলেজ) শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির পরিবর্তে এনটিআরসিএ-তে আসার পর প্রিলি, লিখিত ও ভাইভার মাধ্যমে ১৩তমদের উত্তীর্ণ হতে হয়। তখন বলা হয়েছিল ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের এককভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। তাছাড়া উপজেলাভিত্তিক স্কুল-কলেজগুলোতে শিক্ষক পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে তাদের পাস করানো হয়েছিল। ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের ক্ষেত্রেও সেই একই কথা। অর্থাত্ ১৩ ও ১৪ তম শিক্ষক নিবন্ধন আগের সব নিবন্ধন পরীক্ষা থেকে আলাদা। এদিকে যথাসময়ে নিয়োগ না হওয়ায় লাখ লাখ চাকরিপ্রত্যাশী নিবন্ধিত শিক্ষক হতাশায় দিন পার করছেন। ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের এককভাবে নিয়োগ দিতে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনাও রয়েছে। তা যদি হয় তাহলে ১৪তমদেরও এককভাবে নিয়োগ পাওয়ার কথা। প্রশ্ন হলো, ১ম নিবন্ধন আর ১৩ ও ১৪ তম নিবন্ধন কি একই ধরনের! ১-১২তম নিবন্ধনে ভাইভা ছিল না। প্রশ্ন হলো, যে ভাইভার নম্বর যোগ হয় না, কিন্তু পরীক্ষার্থীদের ফেল করানো হয়, ১৩ ও ১৪ তমদের মাসের পর মাস ধরে সে ভাইভা নিয়ে লাভ কী হলো? আর ২০১৫ সালে কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়োগের ক্ষমতা আসার পর এতদিন কেন ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের মেধাতালিকা করে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়নি? এখন সব নিবন্ধনধারীর প্রতি সুবিচার এবং ১৩ ও ১৪ তম নিবন্ধনধারীদের একক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক।       

সাধন সরকার

ছাত্র, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ,

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা