জাতিগত সংখ্যালঘু, নারী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিতকরণের দাবি সুশীল সমাজের। গতকাল সোমবার মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এ সম্পর্কিত এক গোলটেবিল বৈঠক হতে এ দাবি করেন তারা। বাংলাদেশে কর্মরত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসমূহের সমন্বয়কারী সংগঠন এডাব আয়োজিত গোল টেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এডাব চেয়ারপারসন জয়ন্ত অধিকারী। আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডাব পরিচালক একেএম জসীম উদ্দিন।
অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্টাল ডেভেলপমেন্টের (আইইডি) প্রতিনিধি হরেন্দ্রনাথ নাথ সিংহ, সচেতন হিজড়া সংঘের সভাপতি ইভান আহমেদ কথা, হরিজন ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল চন্দ্র দাস, দলিত পঞ্চায়েত ও ঋষি পঞ্চায়েত ফোরামের সভাপতি রামানন্দ দাস প্রমুখ।
আয়েশা খানম বলেন, বাংলাদেশের জন্ম লগ্ন থেকেই সমনাগরিকত্বের ধারণা শুরু হয় ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরে মুজিব নগরে অস্থায়ী সরকার গঠনের পর থেকেই। আজ স্বাধীনতা লাভের ৪৭ বছর পরও আমাদের সমঅধিকারের জন্য আন্দোলন করতে হয়।
রোকেয়া কবীর বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেত্রী, স্পিকার নারী এই কথা বলে উদাহরণ দেওয়া হয়; কিন্তু আজও অনেক নারী ধর্ষিত হয়। আদিবাসীসহ অনেকের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়। আমাদের এই বিষয়গুলো দূর করতে হবে।
অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত বলেন, শুধু মুসলমানদের রাষ্ট্র, আর রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করিনি।
