রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার জন্য আদালতে নেওয়া হবে। এর আগে অপরাধের দায় স্বীকার করেছেন গণপূর্তের ঠিকাদার জি কে শামীম এবং কৃষক লীগের শফিকুল ইসলাম। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ হেফাজতে তাদের ক্যাসিনো বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবার এবং আন্ডার ওয়ার্ল্ডের অপরাধ কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা নিয়েও প্রশ্ন করা হচ্ছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট ডিবি সূত্র জানিয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য। এরপর তাদের বিচার কার্যক্রম শুরু হবে। তবে ডিবিতে তারা যেসব তথ্য দিয়েছেন তাতে অনেক রাঘববোয়ালের নাম এসেছে। সেই নামের তালিকা ক্রমেই ভারি হচ্ছে।
পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ক্যাসিনো বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ সব দুর্নীতিতে যুবলীগ নেতাদের পাশাপাশি এখন পর্যন্ত সারাদেশে শতাধিক লোকজন ধরা হয়েছে। তবে যুবলীগ নেতা সম্রাটসহ গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের নেতা এনামুল ও রুপন ভুঁইয়াসহ অনেক নেতাই এখনো ধরা পড়েনি। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলাও হয়নি।
