পদ্মার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বিদ্যালয় ফসলি জমি

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:১৮

পদ্মায় পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের ফলে রাজবাড়ী জেলার পাঁচটি ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকা ভাঙনের কবলে পড়েছে। এই ভাঙন অব্যাহত আছে সপ্তাহ ধরে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফসলি জমি, রাজবাড়ী শহর রক্ষা বাঁধসহ অনেক স্থাপনা। 

ইতিমধ্যে নদীগর্ভে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, ইট ভাটাসহ শত শত বিঘা ফসলী জমি বিলীন হয়েছে। এখনও পদ্মার ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে রয়েছে মহাদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরধুনচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। 

শনিবার সকালে সরেজমিনে রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবনে অর্ধেকটা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। বাকি অর্ধেকের টিনের চাল খুলে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মহাদেবপুর গ্রামের পদ্মা পাড়ের বাসিন্দা আমজাদ হোসেন জানান, ভাঙনের ফলে নদী এখন অনেক কাছে চলে এসেছে। এলাকার শত শত পরিবার, ফসলী জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এমনকি শহর রক্ষা বাঁধও হুমকির মধ্যে আছে।

আরও পড়ুন: চটপটি খেয়ে অর্ধশত শিক্ষার্থী অসুস্থ

দেবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলী সরদার জানান, গত এক সপ্তাহের নদী ভাঙ্গনে দেবগ্রামের অন্তত দুইশ বসত বাড়ি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নদীগর্ভে চলে গেছে শতাধিক বিঘা ফসলী জমি। 

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম জানান, পদ্মা নদীর ভাঙ্গন এলাকায় বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। মহাদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় সাড়ে ছয় হাজার বস্তা জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। গোদার বাজার এলাকায় সব মিলিয়ে লক্ষাধিক জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এখনও কাজ চলমান আছে। ভাঙ্গন রোধে আমরা সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ইত্তেফাক/অনি