জো ক স

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:৪৯

  সত্যজিত্ বিশ্বাস

এ ব্যর্থতা কার?

 

সাংবাদিক :লন্ডনভিত্তিক শিক্ষাবিষয়ক সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশনে বিশ্বের সেরা এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের যে তালিকা তৈরি করেছে, তাতে বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই, এ ব্যর্থতা কার?

জনৈক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ :কার আবার? যে আমাদের নাম তালিকায় তুলতে পারেনি, তার।

 

দুর্নীতির ভূত

 

প্রথম বন্ধু :শুনছিস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাকি দুর্নীতির ভূত তাড়ানো হচ্ছে। আচ্ছা, দুর্নীতির ভূত কী জিনিস রে?

দ্বিতীয় বন্ধু :যে সব ভূতের কোনো নীতি নেই, তারাই হলো দুর্নীতির ভূত।

প্রথম বন্ধু :বলিস কী? ভূতেদের মধ্যেও এসব আছে?

 

শুধু গরম করা বাকি

 

এক লোক হোটেলে ঢুকে বেয়ারাকে বিরিয়ানির অর্ডার দিয়ে বসেই আছেন। খাবার আর আসে না। তো সেই লোক রেগেমেগে বেয়ারাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী ব্যাপার, এক ঘণ্টা ধরে বসে আছি। বিরিয়ানির চাল, ডাল কিনতে বাজারে গিয়েছে নাকি তোমাদের ম্যানেজার?’

বেয়ারা :কী যে বলেন, খাবার কী আজকে তৈরি হয়েছে নাকি? সে তো রেডি আছে কয়েকদিন ধরেই। এখন শুধু গরম করার জন্য দেরি হচ্ছে।

 

 

সবাইকেই তো দিয়ে যাচ্ছি

কোনো এক দেশের রাজা মৃত্যুশয্যায়। রোমান্টিক রাজার পত্নী, উপপত্নী মিলিয়ে সংখ্যা একেবারে কম না। সবাই রাজাকে ঘিরে বসে আছেন। শেষ সময়ে তিনি কাকে কী দিয়ে যান, সেটা শোনার আশায়। রাজা কিছুই বলছেন না দেখে উসখুস করতে করতে বড় রানি একসময় বলেই ফেললেন, ‘রাজা মশাই আপনার যাবার সময় তো হয়ে এলো। যাবার আগে কাউকে কিছু দিয়ে যাবেন না?’

রাজা মশাই :কিছু মানে? সবাইকেই তো সব দিয়ে যাচ্ছি।

বড় রানী :কই? কাকে কী দিলেন? 

রাজা মশাই :আমি তো আমার প্রাণটাই দিয়ে যাচ্ছি তোমাদের।

 

বি পজেটিভ ম্যান

সাংবাদিক :বিশ্বের সেরা হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় পাশবর্তী দেশ ভারতের আছে ৩৬টি, পাকিস্তানের ৭টি, শ্রীলঙ্কার ১টি অথচ আমাদের একটিও নেই। এতে কী প্রমাণ হয়?

মোটিভেশনাল স্পিকার :এতে প্রমাণ হয় আমরা ব্যতিক্রম।

সাংবাদিক :৯২টি দেশের ১ হাজার ৩০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হাজারের মধ্যেও নেই, ভাবা যায়?

মোটিভেশনাল স্পিকার :তাতে কী? ১ হাজার ৩০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় তো আছে। বি পজেটিভ ম্যান।

 

ভাতে মারবেন না প্লিজ

ডাক্তার সাহেব :আপনাকে এমন ওষুধ দেব, দেখবেন, কেমন যুবক হয়ে গেছেন।

বয়স্ক রোগী :দোহাই ডাক্তার সাহেব, ওরকম কোনো ওষুধ দিয়ে আমাকে ভাতে মারবেন না প্লিজ।

ডাক্তার সাহেব :কেন, কেন?

বয়স্ক রোগী :এই বুড়ো বয়সে এসে যুবক হয়ে গেলে পেনশন বন্ধ হয়ে যাবে। আর পেনশন বন্ধ হয়ে গেলে খাব কী?

 

ধারালো পানি

প্রথম বন্ধু :জানিস, চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির পাইপ লাইনের ছিদ্র কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। চার বছরে ছিদ্র হয়েছে ১৪ হাজার। প্রতি মাসে গড়ে ছিদ্র হচ্ছে ৩০০টি।

দ্বিতীয় বন্ধু :বলিস কী? কেন?

প্রথম বন্ধু :মনে হয়, চট্টগ্রামের পানির অনেক ধার।

 

কুইজ

বলুন তো দেখি, গাড়ি চলতে থাকা অবস্থায় ব্যস্ত রাজপথে কখন মানুষ দৌড়ে পার হয়?

—বেশির ভাগ মানুষই বলবেন যখন একদমই সময় থাকে না, তখন। তবে আসল সত্য হলো, যখন কারো হাসপাতালে যাওয়ার প্রচণ্ড শখ হয় তখন।  

 

শিক্ষা অর্জন

বাবা :ঝগড়া করা ভালো না। কখনো ঝগড়া করবে না।

বাচ্চা :যে প্রতিদিন ঝগড়া করে সে কী খারাপ লোক, বাবা?

বাবা :অবশ্যই খারাপ লোক। কিন্তু এটা বললে কেন?

বাচ্চা :তুমি তো প্রতিদিন মায়ের সাথে ঝগড়া করো, তাই জিজ্ঞাসা করলাম।

 

প্রমোশন

বিচারক :আমি যখন উকিল ছিলাম, তখন তোমাকে ধরে আনা হয়েছিল ছাগল চুরির দায়ে। এখন আমি বিচারক হয়ে এসে দেখছি, এবার এলে গরু চুরির দায়ে। বিষয়টা কী?

চোর :বিষয়টা তো খুব সোজা। আপনার মতো আমারও প্রমোশন হয়েছে আর কি।

 

কাল্পনিক সাক্ষাত্কার

সাংবাদিক :আপনি তো এখন ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় চমক। আপনার বয়স কত?

আফিফ হোসেন :১৯ বছর।

সাংবাদিক :আগামী ৫ বছরে নিজেকে কোথায় দেখতে চান?

আফিফ হোসেন :খেলার মাঠে।

সাংবাদিক :না মানে ৫ বছর পর আপনার কী হবে?

আফিফ হোসেন :২৪ বছর হবে। 

 

ভবিষ্যত্ না অতীত

জ্যোতিষী :তুমি কি তোমার ভবিষ্যত্ জানতে চাও?

মেয়েটি :আমার না, ওর হাতটা দেখে দিন।

জ্যোতিষী :তুমি কি তোমার প্রেমিকের ভবিষ্যত্ জানতে চাও?

মেয়েটি :না, তাও না। ওর ভবিষ্যত্ তো আমার হাতে। আপনি শুধু ওর অতীতটা দেখে বলুন।

 

কার ডিম?

ক্রেতা :এগুলো কার ডিম?

বিক্রেতা :আমার ডিম। নেন স্যার নেন, খুব ভালো হবে।

ক্রেতা :না, না, আপনার ডিম লাগবে না। আমার কিছু মুরগির ডিমের দরকার ছিল।

 

জানি, কে করেছে

চন্দনাইশ কার্যালয় থেকে ল্যাপটপ চুরি হওয়াতে কর্তৃপক্ষ ডায়রি করাতে থানায় গিয়েছেন। দারোগাকে চুরির ঘটনা খুলে বললেন।

দারোগা :আপনার কাউকে সন্দেহ হয়? 

কর্তৃপক্ষ :হুম, হয়তো। আমি জানি, এই কাজ কে করেছে।

দারোগা :জানেন? তাহলে বলছেন না কেন, কে করেছে?

কর্তৃপক্ষ :এটা নিশ্চিত চোরের কাজ।

 

আরো বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত

পুলিশ :এই যে এতগুলো ল্যাপটপ চুরি করে নিয়ে গেল, তুমি তখন কই ছিলে?

নাইটগার্ড :ওই ঘরেই ঘুমিয়েছিলাম।

পুলিশ :বলো কী! চার, চারটা ল্যাপটপ নিয়ে গেল আর তুমি টেরও পেলে না?

নাইটগার্ড :এইডা ঠিকই কইছেন, বিরাট বাঁচা বাঁইচা গেছি সেদিন। যদি আমারে নিয়া যাইত?

 

ক্যাসিনো কী?

—ক্যাসিনো কী? শিল্প, সংস্কৃতি না ব্যবসা?

—যার চোখে যা।

 

হা-হুতাশ কেন?

প্রথম বন্ধু :কীরে এত হা-হুতাশ করছিস কেন?

দ্বিতীয় বন্ধু :ইস, কী মিসটাই না করলাম। জীবনে ক্যাসিনোতে ঢোকার খুব শখ ছিল রে। সেই সম্ভাবনাটাও শেষ হয়ে গেল।

 

রমরমা ব্যবসা

সাংবাদিক :ঢাকায় রমরমা ক্যাসিনো ব্যবসা নিয়ে কী বলবেন?

জনৈক শিল্পপতি :রমরমা ব্যবসা আর করতে দিলেন কই? ইস, বিপুল সম্ভাবনার বুকে এ কী মেসিভ স্ট্রোকের ধাক্কা। 

 

কীসের লক্ষণ?

প্রথম বন্ধু :ঢাকায় ক্যাসিনো—এটা কীসের লক্ষণ?

দ্বিতীয় বন্ধুু :কীসের আবার, উন্নয়নের।

  কার্টুন রবিউল ইসলাম সুমন