তারা যদি জনগণের বন্ধু হয়ে যায়...

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:৫১

 

‘জনগণের বন্ধু হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলুন :নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী’ তথ্যসূত্র :দৈনিক ইত্তেফাক (১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯)। পুলিশ যদি সত্যিই জনগণের বন্ধু হয়ে যায়, তাহলে কী রকম ঘটনা ঘটতে পারে, তা এবার কল্পনা করে জানাচ্ছেন সুদিপ্ত কুমার নাগ

বুঝছেন ভাই, আজকে অনেকগুলো মোটরসাইকেল চালকের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করেছি।

তাই নাকি? তাহলে এখনই ট্রিট দেন!

যারা বন্ধু মহলে সারাদিন ট্রিট চায়, তারা তখন পুলিশের কাছে ট্রিট চাওয়া শুরু করবে।

 

তুমি আমার বাসায় এসে লুকিয়ে আছো কেন?

পরীক্ষায় ফেল করেছি। বাবার মারের হাত থেকে বাঁচার জন্য এখানে এসেছি। তুমি তো আমার বন্ধু। বন্ধুর জন্য এটুকু উপকার অন্তত করো।

পরীক্ষার রেজাল্ট বের হওয়ার পর বাবা-মায়ের মারের হাত থেকে বাঁচার জন্য শিক্ষার্থীরা পুলিশের কাছে যেয়ে আশ্রয় নেওয়া শুরু করে দেবে।

 

তুই চুরি করেছিস আবার বলতেছিস যে, তোকে ছেড়ে দিতে হবে। তোকে কেন ছেড়ে দিব?

শুনছি যে, পুলিশ নাকি জনগণের বন্ধু। আপনি তাহলে আমার বন্ধু। বন্ধু হয়ে কেন আরেক বন্ধুকে কষ্ট দিবেন? আসেন, আমরা চোর-পুলিশে মাসতুতো ভাই হয়ে যাই।

পুলিশ যদি সত্যিই জনগণের বন্ধু হয়ে যায়, তখন প্রবাদ বাক্য পরিবর্তিত হয়ে এরকম হবে—চোর-পুলিশে মাসতুতো ভাই।

 

হ্যালো, আমি পাট ক্ষেত থানার পুলিশ বলছি। আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি?

আমার ফোনে টাকা শেষ। গার্লফ্রেন্ডের সাথে এখন কথা না বলতে পারলে ব্রেকআপ হয়ে যাবে। আপনি বন্ধু হিসেবে আমার ফোনে বিকাশ দিয়ে ২০ টাকা লোড দিয়ে দেন।

জরুরি প্রয়োজনে সবাই যেরকম খুব কাছের বন্ধুর কাছে সাহায্য চায়, তখন জনগণ পুলিশের কাছে এরকম সাহায্য চাইতে পারে।