তরুণরাই বাসযোগ্য রাখবে এই পৃথিবী

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:০৭

ড. এম এ মাননান

সুপ্রিয় পাঠক, নিশ্চয়ই মনে পড়ছে সেই তরুণীর কথা, যে মাত্র কয়েক দিন আগে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে নিঃশঙ্কচিত্তে দৃঢ় কণ্ঠে তেজোদীপ্ত ভঙ্গিতে গর্জন করে উঠেছিল; যে সারা বিশ্ব থেকে আগত রাষ্ট্রনায়কদের বিরুদ্ধে গলা উঁচু করে হাঁক দিল : হাউ ডেয়ার ইউ, আমাদের স্বপ্ন ভাঙছ, কী সাহস তোমাদের! ছোট্ট মেয়ে। বয়স মাত্র ষোলো বছর। এ বয়সেই কারো দিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ না করেই অকুতোভয়ে ঝড় তুলে দিল জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে। গ্রেটা থানবার্গ নামের এই সুইডিশ তেজস্বী ষোড়শীর দৃঢ়চিত্ত ভূমিকার কারণে তাকে ভূষিত করা হলো ‘বিকল্প নোবেল’ পুরস্কারে। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯। চলছিল জাতিসংঘের সদর দপ্তরে জলবায়ু সম্মেলন। এ সম্মেলনে যোগ দিয়েই গ্রেটা নজর কাড়ল সবার। জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়ে চকিতেই চমক লাগিয়ে দিলেন এই তরুণ পরিবেশ আন্দোলন কর্মী, যাকে এ সম্মেলনেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঠাট্টা-মশকরাসহ ভেংচিকাটা দেখতে হয়েছিল। সুইডেনের নাগরিক আগুনকন্যা মেয়েটি স্কুলের পড়াশোনা থেকে আপাতত এক বছরের বিরতি নিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধে’ নেমেছে। উদ্দেশ্য পরিবেশ বাঁচানো, পৃথিবীকে বাঁচিয়ে রাখা, ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য করা। তার যত ক্ষোভ রাষ্ট্রনায়কদের প্রতি। তারা কেন যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছে; কেন শুধু প্রবৃদ্ধির কথা বলছে অথচ দূষণরোধের কথা, কার্বন নির্গমন বন্ধের কথা, গ্রিনহাউজ গ্যাসের বাধাহীন নিঃসরণ আর উষ্ণায়ন বন্ধের কথা কেন বলছে না। অনেক দিন ধরেই সারা পৃথিবীতে এখন সুপরিচিত এ মেয়েটি বলে আসছিল: ‘আমরা এখনো অনেক দিন বাঁচব। কিন্তু পৃথিবী বাঁচবে কি? দূষণ আর উষ্ণায়নে পৃথিবীর মৃত্যু ডেকে আনছ তোমরা। তোমাদের মতো পলিসি প্রণেতাদের জন্যই এ দুর্গতি আমাদের ছোটোদের। আমাদের ভোটে দাঁড়ানোর বয়স হয়নি। তোমরা জিতেছ। তাই তোমাদেরই ব্যবস্থা করতে হবে। করতে হবেই। ...আশা নিয়ে তোমরা আমাদের কাছে আসো। কী সাহস তোমাদের। তোমাদের ফাঁকা ভাষণ দিয়ে আমাদের শৈশবের সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দাও। মানুষ মারা যাচ্ছে। গোটা পরিবেশ রসাতলে যাচ্ছে। ...আমরা একটা ব্যাপক ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আর তোমরা টাকাপয়সা এবং সুন্দর আর্থিক বৃদ্ধির কথা বলছ। তোমাদের কী সাহস! তোমরা আমাদের সঙ্গ বিশ্বাসঘাতকতা করছ।’ তার দৃঢ়চিত্ততা, যৌক্তিক বক্তব্য আর সুনেতৃত্ব তাকে এনে দিয়েছে বিশ্বব্যাপী সম্মান। এমনকি তার সুস্পষ্ট লক্ষ্যকে সম্মান জানিয়ে এবং বিশ্ব জুড়ে লাখো শিশুর কণ্ঠে জোরালো হওয়া জলবায়ু আন্দোলনে অনুপ্রেষিত হয়ে কানাডার তরুণ প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো গ্রেটা থানবার্গের মিছিলে যোগ দেওয়ার ঘোষণাই শুধু দেননি, গত শনিবার কানাডায় গ্রেটা থানবার্গসহ হাজারো শিশুর সঙ্গে র্যালিতে যোগ দিয়েছেন। লক্ষ্য যদি স্বচ্ছ আর মানবতার আলোকে আলোকিত হয়, সমর্থন পাওয়া যে কঠিন নয়, তা প্রমাণ করেছে গ্রেটার মতো শিশুরা।

আসলে মেয়েটা আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে এবং দিচ্ছে যে, পৃথিবী নামক গ্রহটা ভালো নেই। অনিয়ন্ত্রিত কার্বন নির্গমনের কারণে বায়ু দূষিত হয়ে পড়েছে, দূষণের মাত্রা লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত, জলবায়ু উষ্ণ হয়েছে, উত্তর আর দক্ষিণ মেরুতে আর্কটিক আর অ্যান্টার্কটিকা অঞ্চলে এতকাল স্থির দাঁড়িয়ে থাকা বরফের পাহাড়গুলো গলতে শুরু করেছে আর বরফগলা পানি বাড়িয়ে দিচ্ছে সমুদ্রের জল। এ পানির তোড় দাবড়ে এগিয়ে আসছে স্থলভাগের দিকে। আরো বৃদ্ধি প্রতিরোধ না করা হলে উজাড় করে দেবে সবকিছু।

১৪ সেপ্টেম্বর আমি ছিলাম স্কটল্যান্ডের ডান্ডি শহরে, সেখানকার প্রাচীন জুট মিলের খোঁজে। গিয়েছিলাম এডিনবরায় কমনওয়েলথ অব লার্নিংয়ের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে, যেখানে অংশগ্রহণ করেছিলেন ৪০টি দেশের ছয় শতাধিক প্রতিনিধি। এদের মধ্যে ছিলেন রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে ওসব দেশের জনপ্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আর শিক্ষকরা। শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে গ্র্যাজুয়েটদের স্কিল আর কর্মসংস্থান নিয়ে ভাবনার বিষয়গুলো। এ দিনই পত্রিকায় দেখলাম, সেই মেয়েটি—গ্রেটা থানবাগ—নিজ উদ্যোগেই ডাক দিয়েছে বিশ্বব্যাপী ‘জলবায়ু ধর্মঘট’-এর। তার অনুপ্রেরণায় ২০ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন দেশের ৪০০ শহরে পালিত হয়েছে জলবায়ু ধর্মঘট। খোঁজ নিয়ে জানলাম, বাংলাদেশের প্রায় ৩ হাজার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীও যোগ দিয়েছে ধর্মঘটে—অন্যান্য দেশের একই প্রজন্মের সঙ্গে সহমর্মিতার নিদর্শন হিসেবে। বাহবা দেওয়ার মতো কাজ করেছে তারা। পৃথিবী রক্ষায় তাদের ভূমিকাও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

গ্রেটার অনুপ্রেরণায়, বড়োদের ব্যর্থতার প্রতিবাদে, সমস্যার সমাধান নিয়ে এগিয়ে এসেছে লক্ষ লক্ষ শিশু-কিশোর সেদিন সারা বিশ্বে। প্রায় ৪০ লাখ মানুষ সংহতি প্রকাশ করেন তাদের আন্দোলনের প্রতি। তারা বিশ্বনেতাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াল বিশ্ব বাঁচাতে। জলবায়ু সংকট এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করার দায়ে পাঁচ দেশের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে মামলা ঠুকে দিল সেদিন গ্রেটাসহ ১২টি ভিন্ন দেশের আট থেকে ১৭ বছর বয়সি ১৬টি শিশু। জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও তুরস্ক—এ পাঁচটি দেশ সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসারণকারী দেশ। কার্বন নিঃসারণ দুই ডিগ্রির নিচে রাখতে তারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল পাঁচ বছর আগে ২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে, সে ওয়াদা তারা রক্ষা করেনি। এদের এ ব্যর্থতার কারণে কার্বন নির্গমন বাড়ছে আর তার সঙ্গে বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠে পানির উচ্চতা, দাবদাহ, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা, প্রায় সারা পৃথিবীতে। এ শিশুরা মামলার মাধ্যমে একটি সুস্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছে : ‘জলবায়ু ইস্যুতে যথেষ্ট জলঘোলা করা হয়েছে। আর নয়।’ তারা চ্যালেঞ্জও দিয়েছে এ বলে যে, এ সংকটের জন্য যারা দায়ী তাদের মুখোশ খুলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু সংকট নিরসনের জন্য ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করবে।  কারো অস্বীকার করার জো নেই যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব খুবই খারাপ হচ্ছে, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উষ্ণতা সব দেশকে এবং দেশগুলোর মানুষের অস্তিত্বকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে, দাবদাহ এবং অন্যান্য কারণে অ্যাজমাসহ বিভিন্ন রোগশোক বেড়ে গিয়েছে, পানিবাহিত রোগ মহামারি আকার ধারণ করেছে, অনেক জায়গা পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে, অনেক দ্বীপদেশ বিলীন হওয়ার আশঙ্কায়, লবণাক্ততায় ভরে যাচ্ছে উপকূল এলাকা, যার কারণে ফসল উত্পাদন বিঘ্নিত হচ্ছে। মহাসংকটে নিপতিত এ গ্রহটিতে প্রায় ৭০ কোটি মানুষের বসবাসের স্থল বিভিন্ন দেশের নিচু অঞ্চলগুলো ডুবে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে শক্তিশালী সামুদ্রিক ঝড়-জলোচ্ছ্বাস আর বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণিকুলের আবাসস্থল পরিবর্তনের প্রবণতা জানান দিচ্ছে, আমরা এ গ্রহের মানুষগুলো কত বড়ো ঝুঁকির মধ্যে আছি। জাতিসংঘের বিজ্ঞানীদের প্রণীত রিপোর্টে উল্লিখিত রেড অ্যালার্টের বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে : যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে গিয়েছে এবং মেরুর বরফ দ্রুত গলছে।

সর্বশেষে একটা বিষয়ে সতর্কতা করে বলতে চাই, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে যারা আন্দোলন করছে, তাদের বক্তব্যগুলোকে যেন ভিন্ন খাতে নিয়ে মতলবি ব্যাখ্যা দেওয়া না হয়। এরূপ করা হলে সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিশ্বব্যাপী উত্কণ্ঠাকে পুঁজি করে হয়তো বলবে যে, অনুন্নত/স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে শিল্পায়ন কমিয়ে দেওয়া হোক যাতে উষ্ণায়ন বৃদ্ধি না পায়। উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকেই দাবি করা হচ্ছে যেন উন্নত দেশগুলো জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার লক্ষ্যে ক্ষতিপূরণ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বা গোস্সা করে তারা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিল্পোন্নয়ন নিরুত্সাহিত করতে পারে। এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নমুখী। উন্নয়নের ধারাকে টেকসই করার জন্য শিল্পায়নের গতি বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। অথচ আমরাও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উষ্ণতা বৃদ্ধিহেতু ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন। বিবিসির একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে চলতি শতাব্দীর শেষ নাগাদ উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট বেড়ে যেতে পারে। এতে প্রতি বছর তিন থেকে পনেরো বার ঘূর্ণিঝড় আর বন্যা হতে পারে। অনেক মানুষ চিরাচরিত কৃষি পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে এবং ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র বসতি স্থাপন করছে। লোনাপানির আগ্রাসনে শুধু চাষাবাদই বিঘ্নিত হবে না, লবণাক্ত পানি বেড়ে যাওয়ায় মানুষ সুপেয় পানির সংকটে ভুগবে। সামনের দিনগুলোতে মিঠাপানির সন্ধানে ছুটতে হবে এদেশের মানুষকে। মিঠাপানির মাছ আর উদ্ভিদও বিলীন হয়ে যাবে। বুয়েটের একটি গবেষণায় দেখা যায়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ সুন্দরবনের ৪২ শতাংশ এলাকা ডুবে যাবে এবং ১৯ জেলায় ২৫ লাখ মানুষ বাস্তুহারা হবে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূল এলাকা মারাত্মক ঝুঁকির মুখোমুখি। গবেষকদের মতে, কোনো প্রকার প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া না হলে উপরিউক্ত এলাকায় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভূমি আগামী ২৫ বছরে সাগরের পেটে চলে যেতে পারে, যার ফলে কয়েক কোটি মানুষ উদ্বাস্তু হবে এবং তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আশ্রয় নেবার চেষ্টা করবে। ফলে বাস্তুহারা বৃদ্ধির ফলে সামাজিক সংকট থেকে শুরু করে অনেক প্রকারের রাজনৈতিক সংকটও সৃষ্টি হতে পারে। দেখা দেবে বাসস্থান সংকট, সুপেয় পানিসহ খাবারের সংকট এবং অবধারিতভাবে মানবীয় সংকট। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষত নদীকবলিত এলাকায় আর চরাঞ্চলে প্রতি বছর শত শত বাড়িঘর, স্কুল, কলেজসহ অনেক ভবন-স্থাপনা বাজার বিলীন হযে যাচ্ছে নদীগর্ভে। তার মূলে উষ্ণায়নের কারণে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি। পরিবেশের ভারসাম্যহীনতায় নদ-নদী আর খালবিলে ঝিনুকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় চুন তৈরিতে ব্যাঘাত ঘটায় ক্ষতির মুখে পড়ে দেশের কয়েকটি এলাকায় পৈতৃক পেশা ছাড়ছেন ঝিনুক থেকে চুন উত্পাদনকারী পেশাজীবী যোগী সম্প্রদায়ের লোকেরা। ‘বৈশ্বিক বায়ুর অবস্থা প্রতিবেদন-২০১৯’ (স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার রিপোর্ট)-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের নয়টি দেশের মধ্যে বায়ুদূষণে মৃত্যুর সংখ্যায় পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিবেশী দেশগুলো ছাড়াও ব্রাজিলের মতো ১৬০০/১৭০০ কিলোমিটারের বেশি দূরে অবস্থিত দেশেও যদি আমাজনের মতো দাবানল কিংবা অন্য কারণে মারাত্মক রকমের উষ্ণায়ন/বায়ুদূষণ ঘটে, তা পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষভাবে আমাদের দেশের ওপর প্রভাব ফেলবে। তাই জলবায়ু দূষণের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার সময় এখনই।  সাবধান হওয়ার সময় কিন্তু বয়ে যাচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ে পলিসিগত সিদ্ধান্তসহ কার্যক্রম শুরু করা জরুরি।

n লেখক : কলামিস্ট; উপাচার্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়