পদ্মার পানি বাড়ছেই, লালপুরে দুর্ভোগে কয়েক হাজার পরিবার

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০১৯, ২১:২৭

পদ্মা নদীর পানি বাড়ছেই। নাটোরের লালপুর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের পদ্মার চরে বসবাসকারী তিন হাজার পরিবারসহ উপরিভাগের কয়েকশ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। কয়েক হাজার জমির ফসল এখন পানির নিচে। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ।

জানা গেছে পদ্মা চরের নওসারা সুলতানপুর, দিয়াড়শঙ্করপুর, চাকলা বিনোদপুর, আরাজি বাকনাই, রসুলপুর, বাকনাই, বন্দোবস্ত গোবিন্দপুর, কাগমারি ও লালপুর চরের ঘরবাড়ি ছাড়াও নওপাড়া, পানসিপাড়া, মহারাজপুর, বাকনাই, আরাজি বাকনাই, মোহরকয়া গ্রামের শতাধিক ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। অধিকাংশ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিনিয়তই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

মোহরকয়া গ্রামের সুকচান আলীর ৫টি পুকুর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় ১৫ লাখ টাকার মাছ নদীতে ভেসে গেছে বলে জানান তিনি। এছাড়া ওই এলাকার আরও ২০টি পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।

লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মুল বানীন দ্যুতি জানান, পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে। বিলমাড়ীয়া, লালপুর এবং ঈশ্বরদী এই তিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার কাজ অব্যাহত রয়েছে। 

আরও পড়ুন: খুলনায় স্ত্রী ও ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

বুধবার দুপুরে বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের পানিবন্দি ১২০ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবারসহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শরিফুন্নেছা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মুল বানীন দ্যুতি।

ইত্তেফাক/নূহু