মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড বায়তুল আমিন জামে মসজিদ পুনর্নির্মাণের দাবিতে শুক্রবার সড়কের ওপর জুমার নামাজ পড়লেন মুসল্লিরা। প্রখর রোদ উপেক্ষা করে, খোলা আকাশের নিচে মুসল্লিরা জুমার নামাজ আদায় করেন। নামাজের আগে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পুনর্নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সড়ক উন্নয়নের নামে ৪০ বছরের পুরোনো মসজিদটি অপসারণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এবং জেলা প্রশাসন। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও প্রশাসন মসজিদটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। বরং স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ এলাকাবাসী নিজ অর্থায়নে জমি কিনে এবং মসজিদের জন্য দানকৃত জমির ওপর মসজিদটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নিলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, ভূমি রেকর্ডের বিদ্যমান খতিয়ান- এসএ, আরএসকে পাশ কাটিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সিএস খতিয়ান অনুসরণ করে জায়গাটি নিজের বলে দাবি করছে সওজ। তারা বলেন, প্রশাসনের ভেতরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তি সরকারের চলমান উন্নয়নকে নস্যাত্ করার জন্য এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে আঘাত করছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষ আমাদের মসজিদের জায়গা বুঝিয়ে না দিলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও মানিকগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী ভান্ডারী, মানিকগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোনায়েম খান, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শামীম হোসেন, ওলামা মাশায়েখ পরিষদের মহাসচিব বশির রেজা, মসজিদ কমিটির সভাপতি খবিরুল আলম চৌধুরী প্রমুখ।
মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে সড়ক উন্নয়নের স্বার্থে ঐ মসজিদসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে যা এখনো চলমান রয়েছে।
