জো ক স

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৯, ১৯:০৭

 সত্যজিত্ বিশ্বাস

উইশ

প্রথম বান্ধবী : প্রেমিক দিবসে তোর উইশ কীরে?

দ্বিতীয় বান্ধবী : এমন একটা প্রেমিক, যার মানিব্যাগ থাকবে ভরা আর মাথা থাকবে খালি।

 

অজানা আশঙ্কা

প্রেমিকা :তখন থেকে কী ভাবছ, বলো তো?

প্রেমিক :অজানা আশঙ্কায় কেন জানি বুক ধুকপুক ধুকপুক করছে।

প্রেমিকা :আরে ধুর, এখন চলো তো পূজার শপিংয়ে যাব।

প্রেমিক :যা ভেবেছিলাম, অজানা আশঙ্কাটা এবার সত্যি হলো।

 

অকাট্য যুক্তি

 

শিক্ষক :বুঝি না, এত গাধা কেমন করে হয়? একই ক্লাসে, একই অংক দু বছর ধরে করেও ক্লাস এইটে উঠতে পারছিস না? 

ছাত্র :আমি তো স্যার দু বছর। আপনি কী?

শিক্ষক :আমি কী মানে?

ছাত্র :আপনি তো স্যার, গত বারো বছর যাবত একই ক্লাসে একই অংক করে যাচ্ছেন। এত বছরেও তো ক্লাস এইটে উঠতে পারলেন না। তার বেলা? 

 

কে যে ভাগ্যবান

প্রথম বন্ধু :আমার প্রেমিকা যে কী, সবসময় তার আগের প্রেমিকের সাথে তুলনা দেয়।

দ্বিতীয় বন্ধু :তুই তো ভাগ্যবান। আমার প্রেমিকা কোনো সুন্দর ছেলে দেখলেই পরবর্তী প্রেমিক বানানোর কথা বলে শাসায়। 

 

প্রেমিকা কখনো চুপচাপ হয়?

প্রথম বন্ধু :খুব তো প্রেম করে বেড়াচ্ছিস। তা তোর প্রেমিকা কেমন রে? বাচাল নাকি চুপচাপ?

দ্বিতীয় বন্ধু :কী যে বলিস! প্রেমিকা কখনো চুপচাপ হয়?

 

প্রেমিক কখনো গুড বয় হয়?

প্রথম বান্ধবী :খুব তো প্রেম করে বেড়াচ্ছিস। তা তোর প্রেমিক কেমন রে? গুড বয় নাকি ব্যাড বয়?

দ্বিতীয় বান্ধবী :কী যে বলিস! প্রেমিক কখনো গুড বয় হয়?

 

অভিন্ন চাওয়া

স্বামী :অঞ্জলি দিয়ে মা দুর্গার কাছে কী চাইলে?

স্ত্রী :চাইলাম, মাগো, এই হাড়ে বজ্জাতের হাত থেকে আমাকে মুক্তি দাও। তা, তুমি কী চাইলে?

স্বামী :আমি কী তোমার মতো? নিজের জন্য কিছুই চাইনি। চেয়েছি, মা যেন তোমার মনের ইচ্ছা পূরণ করে।

 

যানজটের প্রভাবে

ভাগ্নে :আচ্ছা মামা, মা দুর্গা এবার ঘোড়ায় চড়ে আসছে কেন?

মামা :রাস্তায় যে যানজট, সময়মতো আসার আর উপায় কী বল?  

 

খাঁটি সম্পর্ক

দীপ :তুই না আমার কষ্টি পাথরে যাচাই করা দোস্ত। পাঁচশ টাকা ধার দে না। 

শান্ত :তুই-ই বল, টাকা ধার দিয়ে এই খাঁটি সম্পর্কটাকে নষ্ট করব?  

দীপ :ছিঃ! সামান্য কয়টা টাকার জন্য এভাবে বলতে পারলি? ওই যে দেখ, পথের পাশের মুরগিটা দেখছিস? সেও তোর চেয়ে খাঁটি। খাঁটি ডিম পাড়ে।

শান্ত :তা ঠিক, খাঁটি ডিম পাড়ে। তবে সেই ডিম কাউকে ধার দেয় না।

 

হাসি দিবসের হাসি

প্রথম বন্ধু :এই যে এতগুলো জোকস বললাম, তুই তো একটা জোকস শুনেও হাসলি না। এতে কী প্রমাণ হয় জানিস?

দ্বিতীয় বন্ধু :এতে প্রমাণ হয়, তুই জোকস বলতে জানিস না।

প্রথম বন্ধু :কী বললি?

দ্বিতীয় বন্ধু :এতে প্রমাণ হয়, তুই হাসাতে জানিস না।

প্রথম বন্ধু :এত বড় কথা? আসলে তুই হাসতেই জানিস না।

দ্বিতীয় বন্ধু :হাঃ হাঃ হাঃ! তোর এই জোকসটা ভালো ছিল।

 

v প্রথম বন্ধু :দোস্ত, জোকস দিবস উপলক্ষে আমি একটা জোকস লিখেছি। শুনবি?

দ্বিতীয় বন্ধু :হাঃ হাঃ হাঃ! হোঃ হোঃ হোঃ!

প্রথম বন্ধু :কী হলো, আমি তো জোকসই বলিনি। আগেই এত হাসছিস কেন?

দ্বিতীয় বন্ধু :যা বললি, তারচেয়ে আরো হাসির জোকস হতে পারে?

 

একদিন ক্লাসে

শিক্ষক :আচ্ছা, বলো তো বিশ্ব শিক্ষক দিবসে তোমাদের কী করা উচিত?

ছাত্র :শিক্ষককে সম্মান দেওয়া উচিত।

শিক্ষক :ভেরি গুড। তোমাদের সবার উচিত শিক্ষকের মূল্য বোঝা। এখন বলো তো, কার মূল্য সবচেয়ে বেশি? 

ছাত্র :পেঁয়াজের।

 

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের উপদেশ

শিক্ষক :শোন বাবারা, বিশ্ব শিক্ষক দিবসে একটা উপদেশ দিই। উপদেশটা সবসময় মনে রাখবা, ‘অর্থই সকল অনর্থের মূল’। 

পেছনের বেঞ্চের এক ছাত্র :একদম ঠিক বলেছেন স্যার। যাদের পকেটে টাকা থাকে না, তাঁরা সবাই উঁচু গলায় এই কথাটাই বলে।

 

বৃথা চেষ্টা

শিক্ষক :এখন তো ক্লাসে বেত আনারই নিয়ম নেই। ডর-ভয় সব উঠে গেছে ছাত্রদের। আমাদের সময়ের শিক্ষকরা পিটিয়ে ছাল তুলে ফেলত পড়া না পারলে।

ছাত্র :তাতে কী তেমন কোনো লাভ হয়েছিল?  

শিক্ষক :তার মানে?

ছাত্র :না মানে এত পিটাপিটির পরেও ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার আর হতে পারলেন কই?