v শঙ্কু আর পিংকু দুই বন্ধু যেন চুম্বক আর লোহা। যেখানেই যায় এক সাথে। দুজন বের হয়েছে দুর্গাপূজা দেখতে।
শঙ্কু :আচ্ছা বল তো, মা দুর্গা তার ছেলেদের বেশি পছন্দ করে নাকি মেয়েদের বেশি পছন্দ করে?
পিংক :এটা আবার কেমন কথা? সবাইকেই পছন্দ করে।
শঙ্কু :সবার মধ্যে বেশি কাদের, বল তো দেখি?
পিংক :না, পারব না। তুই-ই বল।
শঙ্কু :বেশি পছন্দ করে মেয়েদের।
পিংক :কী করে বুঝলি?
শঙ্কু :এটা না বোঝার কী আছে? মা দুর্গা তার দুই পাশে কাদের নিয়ে দাঁড়ায়, শুনি?
v শঙ্কু :মা দুর্গা দেখেছিস, কী সুন্দর! নে, নে প্রণাম কর।
পিংক :আচ্ছা শঙ্কুু, তোর মাথায় তো অনেক বুদ্ধি। বল তো, মা দুর্গার দশটা হাত কেন?
শঙ্কু :এটাও জানিস না? মা দুর্গার দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখ, তাহলেই বুঝবি।
পিংক :তাকালাম তো। কিছুই তো বুঝলাম না।
শঙ্কু :আরে গাধা, দু হাতে এতকিছু সামলানো যায়? সেজন্যই দশ হাত।
v লাকি
শঙ্কু :দুর্গা নামের মেয়েরা খুব লাকি হয়, জানিস?
পিংক :কেমন করে?
শঙ্কু :মা, বাবা, বন্ধু, বান্ধব, এমন কি বিয়ের পর স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি পর্যন্ত ‘মা’, ‘মাগো’, ‘মা দুর্গা’ বলে প্রণাম করে।
v এই পূজা, সেই পূজা না
পিংক :বন্ধু, পূজা আসছে। এবার অনেক মজা হবে।
শঙ্কু :তাই? কবে রে?
পিংক :এই তো ৪ তারিখ।
শঙ্কু :অনেকদিন পরে এলো বুঝি?
পিংক :তা তো ঠিকই, এক বছর পর।
শঙ্কু :কদিন থাকবে রে এবার?
পিংক :কেন? পাঁচ দিন।
শঙ্কু :মাত্র পাঁচ দিন? আর কটা দিন থেকে যেতে বল না?
পিংক :আমি থেকে যেতে বলব মানে? পূজা তো প্রতি বছর পাঁচদিনই থাকে।
শঙ্কু :তুই কোন পূজার কথা বলছিস বল তো?
পিংক :কেন, দুর্গাপূজা।
শঙ্কু :ও, আমি ভাবলাম তোর পিসতুতো বোন পূজা এলো কিনা...
v কিসের ছুটি
পিংক :একটা মজার ব্যাপার খেয়াল করেছিস? আমাদের পূজা হয় ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীতে। কিন্তু পূজার ছুটি দেয় দশমীতে।
শঙ্কু :তোকে কে বলল, ওটা পূজার ছুটি?
পিংক :তবে কিসের ছুটি?
শঙ্কু :পূজার চারদিনের মধ্যে কোন দিন ছুটি দেবে, কোন দিন না, সেই নিয়ে ঝামেলায় কে যেতে চায়? তাই, পূজা শেষের বিসর্জনের দিন, মানে শোক দিবসের ছুটি ওটা।
