আওয়ামী লীগ বলেছে, ‘আইনের চোখে খালেদা জিয়া একজন এতিমের টাকা আত্মসাতকারী, সাজাপ্রাপ্ত দুর্নীতিবাজ। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তিনি নির্বাচনে ও রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়ে ড. কামাল হোসেন সংবিধানের বিরোধিতা করছেন।’ গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এসব কথা বলেন।
খালেদা জিয়ার মুক্তিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবির প্রসঙ্গ তুলে ধরে আব্দুর রহমান বলেন, ড. কামাল হোসেন এই সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৭২ সালের সংবিধানের জন্মলগ্ন থেকেই অনুচ্ছেদ ৬৬ লেখা রয়েছে। ড. কামাল হোসেন আজ ক্ষমতার মোহে নিজের বাংলাদেশের সংবিধানের এই অনুচ্ছেদের বিরোধিতা করছেন। কী বিচিত্র এ দেশ! দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত খালেদা জিয়ার পক্ষে দাঁড়ানো কামাল হোসেনের রাজনৈতিক সততা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।আব্দুর রহমান বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে সারাদেশে আওয়ামী লীগের এক অভূতপূর্ব জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। দেশজুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের গণপদত্যাগ এবং আওয়ামী লীগে যোগদান চলছে। বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্ট নেতারা এতে করে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে মিথ্যাচার এবং অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন। নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে তারা এখন পরিকল্পনামাফিক নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার বিভিন্ন অজুহাত খুঁজছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, বি এম মোজাম্মেল হক, আবদুস সবুর, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
