সোনারগাঁওয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের পিয়ারনগর এলাকার একটি আম বাগানে পাওয়া মৃত মেয়েটির পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। মেয়েটির নাম জান্নাতুল জেবা। সে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া এলাকার মান্নান স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার চরমানিকদা গ্রামে। বাবার নাম দিদার মিয়া। জেবা তার বাবা-মায়ের সঙ্গে কোনাপাড়া এলাকার মোশারফ হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকত।
গত ৪ অক্টোবর অজ্ঞাতনামা এক নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অজ্ঞাতনামা আসামি করে সোনারগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পংকজ কান্তি সরকার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সোনারগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদকে। এসআই আবুল কালাম আজাদ জানান, লাশ উদ্ধারের চারদিনের মাথায় মেয়েটির পরিচয় উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। পরে ডেমরা থানার একটি সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে নিখোঁজ ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে সংগ্রহ করা কাপড় ও পায়ের জুতো দেখালে ঐ পরিবার লাশ তাদের মেয়ে বলে শনাক্ত করে। পরে ডিএনএ পরীক্ষার পর লাশের প্রকৃত পরিচয় উদ্ঘাটন সম্ভব হয়।
নিহত ছাত্রীর মা মানছুরা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে দুর্বৃত্তরা আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও মেয়েকে পাইনি। এ ঘটনায় আমার স্বামী বাদী হয়ে গত ৪ অক্টোবর ডেমরা থানায় একটি জিডি করেন। পরে মঙ্গলবার রাতে তার পরনের কাপড়ের টুকরো দেখে মেয়ের পরিচয় শনাক্ত করি। আমার মেয়ের হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের শনাক্ত করে সঠিক বিচার চাই। সোনারগাঁও থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই মেয়েটিকে হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে।
