তিমির নন্দী, স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠসৈনিক। কিশোর বয়স থেকে এখন পর্যন্ত সমান জনপ্রিয়তায় সংগীতাঙ্গনকে আলোকিত করে চলেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় দলবেঁধে গান গেয়ে উজ্জীবিত করেছিলেন বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের, সংগঠিত করেছিলেন লাখ লাখ শরণার্থীসহ সাধারণ মানুষকে। এই কণ্ঠযোদ্ধা সংগীত জীবনের ৫০ বছর পূর্ণ করেছেন। এ উপলক্ষে প্রকাশ হতে যাচ্ছে অ্যালবাম ‘মেঘলা দু-চোখ’।
তিমির নন্দীর গত ১০ বছরে নতুন কোনো অ্যালবাম প্রকাশ পায়নি। ২০০৯ সালে সংগীত জীবনের ৪০ বছর পূর্তিতে একটি অ্যালবাম প্রকাশ করেছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর আজ রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সন্ধ্যা ৬টায় নতুন অ্যালবামটির প্রকাশনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। জি-সিরিজের ব্যানারে এটি বাজারে আসছে।
এবারের অ্যালবামে মোট ১৪টি মৌলিক আধুনিক গান থাকছে। অ্যালবামে থাকা গানগুলোর শিরোনাম—‘দুটি পাখি মিলে বাঁধে’, ‘ভালোবেসে সবাই যদি’, ‘আমার মেঘলা দু-চোখ’, ‘সিঁদুরে মানায় ভালো’, ‘যখন ডেকেছি কাছে’, ‘জীবনের বাঁকে যদি’, ‘ওই দুটি চোখ’, ‘শুধু মন ছুঁয়ে যায়’, ‘ও নদী তোরই বুকে চলেছি’, ‘কতবার মনকে বলেছি’, ‘তুমি ছিলে এই জীবনে’, ‘কেঁদো না সেদিন তুমি’, ‘এই হূদয় ছুঁয়ে’ ও ‘তুমি চলে গেছো’। গানগুলো লিখেছেন আয়েত হোসেন, খোকন সিরাজুল ইসলাম, মো. রফিকুল হাসান, জাহিদ খান, হারুন মো. আফজাল, সৈকত বিশ্বাস, এস এম আবদুর রহিম, ইমতিয়াজ ইকরাম, হামিদুল্লাহ দুলাল ও আলী আসকার। একটি ছাড়া বাকি ১৩টি গানের সুর করেছেন তিমির নন্দী নিজেই। সেই ১টি গানের রয়েছে আবার অন্যরকম অতীত।
নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করা প্রসঙ্গে শিল্পী তিমির নন্দী বলেন, ‘এতদিন পর একটা অ্যালবাম আনতে পারছি এতেই ভালো লাগছে। রেকর্ডিংয়ের সময় বুদ্ধদেব গাঙ্গুলীসহ আরো যারা ছিলেন তারা প্রত্যেকেই গানগুলোর প্রশংসা করেছেন। সবার ভালো লাগবে আশা করি।’
