দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় মাল্টা চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে উত্পাদিত মাল্টা কাহারোলবাসীর চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে এমনটাই ধারণা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
উপজেলার তারাগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম সুলতানপুর গ্রামের মাল্টা চাষি কৃষ্ণকান্ত রায় বলেন, আমি গত দুই বছর আগে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের পরামর্শে ২০ শতক জমিতে বারি মাল্টা-১ জাতের ৬০টি মাল্টা গাছ রোপণ করি। তার পরামর্শ অনুযায়ী গাছের পরিচর্যা করি। গত বছর তিন-চারটি ফল ধরেছিল। তবে এ বছর ৬০টি গাছে ফল ধরছে। প্রতিটি গাছে ৬০ থেকে ৭০টি ফল ধরেছে। আগামীতে ৬০ শতাংশ জমিতে মাল্টা চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মো. সাদেক জানান, একজন মানুষের প্রতিদিন ২০০ গ্রাম ফল খাওয়া প্রয়োজন। ফলের চাহিদা পূরণে কৃষিবিদ সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে দুবছর আগে এন এ টিপি প্রকল্পের আওতায় মাল্টা চাষ সম্প্রসারণের কাজ চলছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মাল্টা চাষ শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন বর্তমানে কাহারোল উপজেলায় মাল্টা চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে। আশা করছি আগামী দু-তিন বছরের মধ্যে উত্পাদিত মাল্টা কাহারোলবাসীর চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
