মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৫ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্যে শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব স্থগিত করেছেন। ওয়াশিংটনে দুই দিনের আলোচনা শেষে দুই পক্ষের মধ্যস্থতাকারীরা ‘প্রথম পর্বের চুক্তিতে’ উপনীত হয়েছে জানিয়ে শুক্রবার তিনি শুল্ক বৃদ্ধি স্থগিতের ঘোষণা দেন। আগামী মঙ্গলবার থেকেই ২৫ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্যে বাড়তি শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
ট্রাম্প বলেন, ‘প্রথম পর্বের চুক্তি’ অনুযায়ী চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাড়তি কৃষিপণ্য কিনতে রাজি হয়েছে। আলোচনা হয়েছে অর্থনৈতিক সেবা ও প্রযুক্তি চুরি নিয়েও। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছি, এখন কেবল তা লেখা বাকি।’ দুই পক্ষের মধ্যস্থতাকারীরা এখন চুক্তির অন্যান্য পর্ব নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
চুক্তিটি লেখা হতে হতে পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত সময়ও লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। ডিসেম্বরে চিলিতে জাতিসংঘের এক শীর্ষ সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষর করবেন বলেও আশাবাদী তিনি। চীনের প্রধান মধ্যস্থতাকারী লিউ হে ওয়াশিংটনে দুই পক্ষের আলোচনার অগ্রগতিতে ‘সন্তুষ্ট’ হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ করার মতো অগ্রগতি হয়েছে, আমরা খুশি। আরো সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে যাব আমরা।’
মার্কিন প্রধান মধ্যস্থতাকারী রবার্ট লাইটিজার পরে জানান, শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিত হলেও মার্কিন প্রশাসন ডিসেম্বর থেকে আরও যেসব চীনা পণ্যে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে, তা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। রয়টার্স বলছে, দুই পক্ষের শুক্রবারের ঘোষণায় চুক্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত কিছুই জানানো হয়নি।
