এই সময়ের ছড়া

অনুসন্ধান

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০১৯, ২০:৪২

এতটুকুন শহরখানা হাতের তালুর মতো,

আয় বাবাজি চাঁদাবাজি করবি তোরা কত!

এমনতর স্বর্গরাজ্যে কে কে তোরা যাবি?

চাস ইয়াবা আয় রে বাবা হাত বাড়ালেই পাবি।

এখানটাতে দাপিয়ে বেড়ায় লাট-বেলাটের নাতি

মানুষ তো নয় যেন তারা বাঘ ভালুক আর হাতি।

আসল কথায় আসি এবার—গত বিশে জুন

দিন-দুপুরে লোকসমক্ষে যুবক হলো খুন।

তারা এলো রামদা হাতে, কুপিয়ে মাথা কেটে

বুক ফুলিয়ে বিনা বাধায় চলে গেল হেঁটে।

অকুস্থলে এলেন পুলিশ—গোয়েন্দা—জ্ঞানী-গুণী,

এককথাতে সবাই বলেন, ধরতে হবে খুনি।

দুদিন বাদে একটা খাঁটি সূত্র পাওয়া গেছে,

এমলাক আলি থাকে এখন এই শহরের মেসে।

সে বলেছে, কলিমুদ্দি তারই মামা শ্বশুর,

বিশাল দেহের লোকটা যেন আস্ত একটা অসুর।

খুনির সাথে তার রয়েছে মামলা-মোকদ্দমা,

মনের ভেতর অনেক দিনের ক্ষোভ রয়েছে জমা।

তার কাছেই পাওয়া গেছে খুনের আসল সূত্র:

খুনির দোস্ত কদম আলি আদম আলির পুত্র।

দোস্ত দুজন মিটিং করে তিস্তা নদীর বাঁকে,

সেখানে এই হত্যাকাণ্ডের নীলনকশাটি আঁকে।

খাদু তখন আমের জন্য উঠছিল গাবগাছে,

সব জেনে সে বলেছে তা কলিমুদ্দির কাছে।

যে সমাজে নেতার পাশে খুনিরা বাস করে

আজগুবি নয়—সেখানটাতে গাবগাছে আম ধরে।

আসামিকে যায় না পাওয়া, খোঁজাই কেবল সার,

উপর তলায় মিলেমিশে ওরা একাকার।