পদ্মাসেতুর ১৫তম স্প্যান মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে বসেছে। এতে সেতুটি ২২৫০ মিটার দৃশ্যমান হলো। ৪-ই নম্বর এই স্প্যানটি জাজিরা প্রান্তে (প্রশাসনিক মাদারীপুর জেলা) সেতুর ২৩ ও ২৪ নম্বর পিলারে স্থাপন করা হয়। এর আগে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটিকে মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে বহন করে নিয়ে যায় ৩ হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ক্রেন।
১৫তম স্প্যানটি বসানোর জন্য বেশ কয়েকদিন ধরে স্প্যানবাহী জাহাজটি পিয়ার ২৩-২৪ এর কাছে অবস্থান করছিল। কিন্তু নাব্য সংকটের কারণে স্প্যানটি বসাতে বিলম্ব হয়। স্প্যানবাহী জাহাজটি যথাস্থানে যাওয়ার জন্য অনবরত ড্রেজিং করে পানির গভীরতা তৈরি করে স্প্যানটি মঙ্গলবার স্থাপন করা হয়। এছাড়া আরো চারটি স্প্যান কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে এবং একটি চর এলাকায় ২৮ নম্বর পিয়ারের কাছে সম্পূর্ণ রেডি অবস্থায় রাখা আছে। এ স্প্যানগুলো অল্প সময়ের মধ্যে স্থাপন করা হবে।
এদিকে চীন থেকে পদ্মাসেতুর কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে আরো একটি স্প্যান পৌঁছেছে। এটা নিয়ে সেতুর মোট ৩১টি স্প্যান কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে পৌঁছাল। ৪-এ স্প্যানের অংশগুলো এখন জাহাজ থেকে খালাস করা হচ্ছে। আরও চার-পাঁচদিন সময় লাগবে পুরো স্প্যান খালাস করতে। এসব তথ্য জানিয়ে পদ্মাসেতুর দায়িত্বশীল এক প্রকৌশলী জানান, মোট ৪১টি ট্রাস বা স্প্যানের মধ্যে চীন থেকে মাওয়া সাইটে এসেছে ৩১টি। এর মধ্যে ১৫টি স্প্যান পিয়ারে স্থাপন করা হয়েছে। জানা গেছে, রেলওয়ে স্ল্যাবের জন্য ২ হাজার ৯৫৯টি প্রি-কাস্ট স্ল্যাব প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৯১টি স্ল্যাব তৈরির কাজ শেষ হয়েছে এবং বাকি স্ল্যাব আগামী নভেম্বরে তৈরি শেষ হবে। রেলওয়ে স্ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে ৩৬১টি। অন্যদিকে ২ হাজার ৯১৭টি প্রি-কাস্ট রোডওয়ে ডেক স্ল্যাবের মধ্যে ১ হাজার ৫৫৩টির কাজ শেষ হয়েছে এবং ৫৪টি স্থাপন করা হয়েছে।
