দেরিতে ফেরি ছাড়ায় স্কুলছাত্র তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও মাদারীপুর জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ৭ নভেম্বরের মধ্যে এ প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন।
এদিকে গতকাল ঐ ঘটনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাইকোর্টে তুলে ধরেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিতাসের মৃত্যুর ঘটনায় ফেরি দেরিতে ছাড়ার ক্ষেত্রে সরকারের যুগ্মসচিব আব্দুস সবুর মণ্ডল ও মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহেদুল ইসলামের কোনো দায় খুঁজে পাওয়া যায়নি। মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটে অ্যাম্বুলেন্সে তিতাস নামে এক মুমূর্ষু রোগী রয়েছে সেটা তাদের কেউই জানত না। ফলে তাদেরকে দায়ী করার মতো কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে দায়িত্ব ও কর্তব্যে অদক্ষতা, অযোগ্যতা ও অবহেলায় ঘাট ম্যানেজার মো. সালাম হোসেন, প্রান্তিক সহকারী মো. খোকন মিয়া এবং উচ্চমান সহকারী ফিরোজ আলমকে দায়ী করে কমিটি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সাত দফা সুপারিশ করে কমিটি।
