মহারাষ্ট্রে ফিরছে বিজেপি- শিবসেনা জোট, হরিয়ানায় ঝুলন্ত পার্লামেন্ট

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০১৯, ২২:৫৪

ভারতের মহারাষ্ট্রের ক্ষমতায় আবারও ফিরছে বিজেপি-শিবসেনা জোট। তবে হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনো দল। যে কারণে ঝুলন্ত পার্লামেন্ট হচ্ছে ঐ রাজ্যে।

গত সোমবার এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ভোট গণনা শুরু হয়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী মহারাষ্ট্রের ২৮৮টি আসনের বিধানসভায় বিজেপি এবং শিবসেনা জোট ১৫৮টি আসনে জয়ী হচ্ছে বা এগিয়ে আছে। তবে গতবারের চেয়ে তারা ২৬টি আসন কম পেতে চলেছে। অন্যদিকে কংগ্রেস ও এনসিপি জোট পেতে যাচ্ছে ১০৩টি আসন। গতবারের চেয়ে এই জোট এবার ১৭টি আসন বেশি পেতে যাচ্ছে। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিততে চলেছেন ২৭টি আসনে। এই রাজ্যে সরকার গড়তে ১৪৫ আসন দরকার। আসন কমলেও বিজেপি ও শিবসেনা জোট সরকার গড়তে প্রয়োজনীয় আসন পাচ্ছে। যদিও ফল প্রকাশের পর শিবসেনা ইঙ্গিত দিয়েছে যে, মন্ত্রিসভায় ৫০:৫০ পদ দাবি করবে তারা। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদেও অর্ধেক মেয়াদ চাইবে তারা।

অন্যদিকে হরিয়ানার ৯০ আসনের বিধানসভায় ৪০টিতে জিততে চলেছে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। তবে তারা গতবারের চেয়ে সাত আসন কম পাচ্ছে। অন্যদিকে কংগ্রেস পেতে চলেছে ৩১টি আসন। গতবারের চেয়ে তারা ১৬ আসন বেশি পেতে চলেছে। অন্যরা পেতে চলেছে ১৯টি আসন। এই রাজ্যে সরকার গড়তে প্রয়োজন ৪৬ আসন। কিন্তু কোনো দলই প্রয়োজনীয় আসন পায়নি। ফলে জোট সরকার গড়তে হবে হরিয়ানায়। এবারের নির্বাচনে জাঠ নেতা দুশান্ত চট্টলার দল জেজেপি ১০ আসন পেতে যাচ্ছে। এই রাজ্যে তিনি কিংমেকার হিসেবে আবির্ভূত হতে চলেছেন।

বিজেপির জাতীয়তাবাদী প্রচারণা সফল হয়নি!

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জাতীয়তাবাদী প্রচারণা সফল হলেও মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এবারের নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। পাকিস্তানের বালাকোটে সার্জিক্যাল স্টাইকের উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা অর্থনৈতিক সমস্যা ও নিরসনের কথা বলেছেন।

হরিয়ানায় ভালো করেছে বিরোধীদল কংগ্রেস। এর জন্য কৃতিত্বের দাবিদার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হোরা। এই নির্বাচনের আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী হরিয়ানায় মাত্র দুটি সমাবেশে অংশ নেন।