রেলের ২৩ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ

লকডাউন ভেঙ্গে শনিবার একটি ট্রেন ঢাকা থেকে সিলেট রেল স্টেশনে যাত্রী নিয়ে আসার ঘটনায় তোলপাড় চলছে। সবাই বলছেন এই সময়ে সরকারের নিষেধ থাকার পরও কিভাবে যাত্রী নিয়ে টেন ঢাকা থেকে ছেড়ে এলো। আর দায়িত্ব কি শুধু চালকের।

ওই ট্রেনটির দুটি বগিতে যাত্রী ছিলেন ৫৪ জন। এর মধ্যে ২৩ জনের হিসাব রেলওয়ের সিলেট স্টেশন কর্তৃপক্ষ দিতে পারলেও বাকিদের দিতে পারেনি।  

সিলেট জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদুল হক শনিবার রাতে সিসিটিভির ফুটেজ অনুসন্ধান চালিয়ে এসব তথ্য পান। এ কারণে সিলেটের রেলওয়ের সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনতে সুপারিশ করেছে জেলা প্রশাসন। 

এদিকে  সিলেট আসা ওই ট্রেনটি আবার রবিবার সকালে ১৮ জন স্টাফ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে সিলেট রেলওয়ে স্টেশন ছেড়ে যায়। 

সিলেট স্টেশনের ম্যানেজার খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ঢাকার পথে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনটি আখাউড়া ছাড়া আর কোথাও দাড়াবে না। যাত্রীও উঠা-নামা করতে পারবে না। 

আরো পড়ুন : টুঙ্গিপাড়ায় করোনার উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু

শনিবার বিকেলে লকডাউন ভেঙ্গে হঠাৎ করে দুটি বগি নিয়ে ঢাকা থেকে সিলেটে ট্রেন আসলে এতে অনেকেই অবাক হন।  বিষয়টি জানাজানির পর সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলামের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদ মিয়া (এনডিসি) রেলওয়ে স্টেশনে যান। সেখানে স্টেশন ম্যানেজার খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি যাত্রী সম্পর্কে একেক সময় একেক তথ্য দেন। ফলে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। তখন ম্যাজিস্ট্রেট সিসিটিভির ফুটেজ পর্যবেক্ষন করেন। 

 

ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদ মিয়া (এনডিসি) জানান, সিলেট আসা ওই ট্রেনে রেলওয়ের স্টাফ ছিলেন ২৩ জন। পরে সিসি ফুটেজ দেখে ৫৪ জন যাত্রীর হিসাব পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৩১ জন সাধারণ যাত্রী ছিলেন। সাধারণ যাত্রী বহনের ফলে রাতেই ওই ট্রেনে অবস্থান করা রেলের ২৩ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হয়।

ইত্তেফাক/ইউবি