দিনের শুরুটা এক কাপ চায়ে না হলেই নয়। আবার সন্ধ্যার নাস্তায় বা বন্ধুদের আড্ডায় চা কফির বিকল্প কিই বা হতে পারে। এভাবেই প্রতিনিয়ত আমরা চা, কফি, চকলেট, কোমল পানীয় যেমন- কোকাকোলা, সেভেন-আপ, পেপসি এমনকি ওষুধের সাথেও ক্যাফেইন গ্রহণ করে থাকি।
দৈনিক ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন মন্দ কিছুই না। তবে ৬০০ মিলিগ্রামের বেশি হলেই ক্ষতি। ক্যাফেইনের ভালো দিক যেমন আছে, মন্দ দিকও আছে। সেসব নিয়েই আজকের আলোচনা।
শরীর চাঙা করে
ক্যাফেইন খেলেই ছয় ঘণ্টার মতো শরীর চাঙা থাকে। তবে ক্যাফেইন শরীরে জমা থাকেনা। তবে ক্লান্ত হলে ক্যাফেইন শরীর চাঙা করতে সাহায্য করে।
ইনসমনিয়ার কারণ
ক্যাফেইন ইনসমনিয়ার বড় কারণ। ঘুমোতে যাওয়ার আগে, সন্ধ্যায় বা বিকেলে কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বাদ দিন। ক্যাফেইন ঘুম নষ্ট করে।
মাথাব্যথা সৃষ্টি করে
নিয়মিত ক্যাফেইন খেলে শরীরে এর চাহিদা সৃষ্টি হয়। ফলে ক্যাফেইন না খেলে মাথাব্যথা হয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও অনেক সময় লাগে।
ওয়ার্ক আউট শেষে চাঙা করে
ওয়ার্ক আউটের পর শর্করাজাতীয় খাবারের সাথে ক্যাফেইন খেলে দ্রুত দেহের ক্লান্তি দূর হয়। তাই গ্র্যানোলা বার বা স্পোর্টস বারে ক্যাফেইন থাকে।
রক্তচাপ বাড়ায়
ক্যাফেইন রক্তচাপ বাড়ায়। দীর্ঘমেয়াদী নিয়মিত ক্যাফেইন খেলে উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।
এপিলেপসি রোধে সহায়তা করে
ক্যাফেইনের কিছু ওষুধি গুনাগুণ আছে। এপিলেপসি বা স্কেলেরোসিসের মতো রোগ প্রতিরোধে ক্যাফেইন ভূমিকা রাখে। এছাড়া কিছু বিশেষ ক্যান্সার প্রতিরোধেও ক্যাফেইন গুরুত্বপূর্ণ।