লোকসভায় উঠছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি বিল

আসাম রাজ্যকে আপাতত বাদ দিয়েই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বুধবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। সংসদীয় মন্ত্রী ভেঙ্কাইয়া নাইডু গণমাধ্যমকে কেন্দ্রের এ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, আগামী ৫ মের পরে রাজ্যসভায় সংবি-ধান সংশোধনী বিলটি উত্থাপন করা হবে। আপাতত পশ্চিমবঙ্গ-ত্রিপুরা-মেঘালয়ের সীমান্ত চিহ্নিতকরণ এবং ছিটমহলগুলো বিনিময় হবে।

 
তিনি আরো বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়েছে। এক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোনো আপত্তি নেই।
 
বাজেট অধিবেশনের এ পর্বে লোকসভার অধিবেশন শেষ হচ্ছে ৮ মে। রাজ্যসভার অধিবেশন শেষ হবে আরো তিন দিন পর। তবে সীমান্ত বিল (১১৯তম সংবিধান সংশোধন) পাস করাতে হলে ৮ মের মধ্যে লোকসভাতেও পাস করিয়ে ফেলতে হবে। নইলে রাজ্যসভায় পাসের পর লোকসভার পরের অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তাই ৮ মের মধ্যেই বিল পাসের জোর চেষ্টা চালানো হবে। আর এই চুক্তি অনুমোদনের পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ সফরের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
 

এর আগে সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটি মনমোহন-হাসিনা চুক্তির কোনো পরিবর্তন না করেই অনুমোদনের সুপারিশ করে। তারপরেও একমাত্র বিজেপির আপত্তির কারণেই এ চুক্তিটি সংবিধান সংশোধন আকারে উত্থাপন করা যাচ্ছিল না। জানা যায়, আসাম বিজেপির দাবি মেনেই ২৫০ একর জমি বাংলাদেশে হস্তান্তর করার প্রস্তাব স্থগিত রাখা হচ্ছে। সম্প্রতি আসামের বিজেপি শাখা কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়ে দিয়েছিল, বর্তমান রূপে স্থল সীমান্ত চুক্তি তাদের পক্ষে মানা সম্ভব নয়।