নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে সামপ্রতিক ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত এক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৫ দিন পর এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকারীরা কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর যখন পেমবা লামাকে বের করেন তখন সেখানে উপস্থিত জনতা উল্লাসে ফেটে পড়েন। এদিকে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা সাড়ে ৫ হাজারে পৌঁছেছে। খবর বিবিসি’র।
নেপালি এবং আমেরিকার উদ্ধার কর্মীরা কিশোরটিকে বের করে এনে কাছে ইসরাইল পরিচালিত ফিল্ড হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। পেমবা সাংবাদিকদের জানিয়েছে, সে ভূমিকম্পের পর ৫ দিন ভেজা কাপড় থেকে পানি পান করে এবং একটি বাটি থেকে ঘি খেয়ে বেঁচে ছিল। গত শনিবার হয়ে যাওয়া শক্তিশালী ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত সাড়ে ৫ হাজার মানুষের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে সরকার। তবে ভূমিকম্পের পর পর্যাপ্ত উদ্ধার এবং ত্রাণ কাজ ঠিকমতো করতে না পারায় নেপাল সরকার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। সরকার বলছে, পাহাড়ি রাস্তা দুর্গম হয়ে যাবার ফলে রাজধানীর বাইরে ত্রাণ তত্পরতা হেলিকপ্টারের মাধ্যমে চালাতে হচ্ছে।
কিন্তু আবহাওয়া খারাপ হবার ফলে ত্রাণ কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লাক্ষ্মী দায়াল বলেন, ত্রাণ এবং কর্মীদের নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাবার জন্য হেলিকপ্টার প্রস্তুত আছে। কিন্তু বৃষ্টি এবং মেঘলা আবহাওয়ার জন্য যাত্রা শুরু করতে পারছে না। দেশের কিছু অংশে ত্রাণ না পৌঁছায় মানুষের মনে ক্ষোভ বাড়ছে। বেশকিছু ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামে কোন ত্রাণ বা ওষুধ এখনো পোঁছায়নি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।