এনার্জি ড্রিংকসের নামে বিক্রি হচ্ছে ক্যাফেইন
প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৪৮
এনার্জি ড্রিংকস সেবনে শারীরিক ও মানসিক শক্তি চাঙ্গা হবে বলে আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণদের বিভ্রান্ত করছে বেভারেজ কোম্পানিগুলো। আর বেভারেজ শিল্পের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে এগুচ্ছে এনার্জি ড্রিংকস শিল্প। চটকদার বিজ্ঞাপন ও শ্লোগানের মাধ্যমে তরুণদের মাঝে এমন একটি প্রতিচ্ছ্ববি তৈরি করা হয় যে এগুলো নতুন প্রজন্মের ড্রিংকস। অতিরিক্ত এনার্জি ড্রিংকস সেবনে কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনায় ও কিছু মানুষ ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর ড্রিংকসগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমেরিকার খাদ্য ও মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এতে দেখা যায় এসব ড্রিংকসে ব্যবহার হয় অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইন।—খবর ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড ট্টিবিউনের।
গবেষকদের সামনে এখন প্রশ্ন ক্যাফেইন ছাড়া এখানে এমন আর কি উপাদান আছে যাতে ভোক্তা ‘অতিরিক্ত’ বেশি কিছু পাবে? মজার বিষয় হলো এখানে এনার্জি বর্ধক ক্যাফেইন ছাড়া তেমন উল্লেখযোগ্য কিছুই নেই। এনার্জি ড্রিংকস নিয়ে কাজ করছেন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. রবার্ট ডব্লিউ পেটিট। দীর্ঘ গবেষণায় তিনি দেখতে পান, এসব এনার্জি ড্রিংকস পান করলে যা হবে একই প্রতিক্রিয়া হতে পারে চা পানে। অথচ কোম্পানিগুলো এমন প্রচারণা চালায় যে সেখানে শুধু ক্যাফেইন মিশ্রিত উপাদানই নয় আরো অনেক জিনিসের মিশ্রণ আছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ‘রেড বুলে’র প্রচারণায় বলা হয় এটি গতি এনে দেবে। ‘রকস্টার ড্রিংকস বৈজ্ঞানিকভাবে তৈরি। আর এ ধরনের প্রচারণার জন্য আমেরিকার বাজারেই এইসব ড্রিংকস বন্ধের দাবি উঠেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমেরিকায় ‘ফাইভ আওয়ায় এনার্জি’, মনস্টার এনার্জি, রেড বুল ও রকস্টার এনার্জির নামে যা বিক্রি হচ্ছে তার সব কিছুতেই আছে অতিরিক্ত ক্যাফেইন।