মালির বিদ্রোহ দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৫১
মালিতে ইসলামপন্থি বিদ্রোহীদের দমনে ফ্রান্সের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিচ্ছে আফ্রিকার সেনারা। এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লিও প্যানেটা বলেছেন, মালিতে ফরাসি বাহিনীর সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের সৈন্য মোতায়েনের কোন পরিকল্পনা নেই। লিসবনে মঙ্গলবার তিনি এ মন্তব্য করেন। ইতোমধ্যে মালিতে ফরাসি বাহিনীর সামরিক অভিযানে জাতিসংঘ সমর্থন দিয়েছে। শুক্রবার থেকে ফ্রান্স দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
কয়েকদিনের মধ্যে দেশটিতে আফ্রিকার সেনারা পৌঁছাবে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে নাইজেরিয়া। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলান্দ বলেছেন, পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে স্থিতিশীল অবস্থা ফিরে আসলেই অভিযান বন্ধ হবে। ওলান্দ মঙ্গলবার আবুধাবিতে একথা বলেন।
গত ডিসেম্বরে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মালিতে ৩ হাজার ৩০০ সেনা পাঠাবে পশ্চিম আফ্রিকার আঞ্চলিক সেনারা। এর মধ্যে নাইজেরিয়া ৯০০ সেনা পাঠাবে। নাইজেরিয়ার কর্নেল মোহাম্মদ যেরিমা জানিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে মালিতে তাদের সেনা মোতায়েন করা হবে। এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট অনুমোদন দিয়েছেন। মালিতে নাইজেরিয়া ছাড়াও সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেনিন, ঘানা, নাইজার, সেনেগাল, বারকিনা ফাসো ও টোগো।
মঙ্গলবার আরব আল আমিরাত সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলান্দ দুবাইতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমাদের একটাই লক্ষ্য। যখন আমরা চলে আসব, যখন আমাদের হস্তক্ষেপ শেষ হবে, মালি নিরাপদ হবে, নির্বাচিত বৈধ কর্তৃপক্ষ মালি শাসন করবে আর সেখানে রাষ্ট্রের ওপর হুমকি সৃষ্টি করার মতো কোনো সন্ত্রাসীও থাকবে না। মালিতে আফ্রিকার দেশগুলোর নেতৃত্বে পরিচালিত জঙ্গিবিরোধী অভিযানে উপসাগরীয় দেশগুলোর আর্থিক সমর্থন পেতে সেখানে গেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।