যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচরবৃত্তিতে এবার ক্ষুব্ধ পাকিস্তান

বিদেশি সরকার ও সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে ভারতের পর এবার ক্ষেপেছে পাকিস্তানও। সমপ্রতি ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারির খবর প্রকাশের পর এর প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামাবাদ সরকার।—বিডি নিউজ যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোপন কয়েকটি নথিতে দেখা গেছে, এনএসএ ২০১০ সালে পাকিস্তানের তত্কালীন ক্ষমতাসীন দল পিপিপির ওপর গোয়েন্দাগিরি করেছে। এর আগে একই সময়ে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ওপরও এনএসএ গোয়েন্দাগিরি চালিয়েছে বলে গত সোমবার গণমাধ্যমে ফাঁস করেন সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা এডওয়ার্ড স্নোডেন। এর প্রতিবাদ জানাতে ভারত মার্কিন দূতকে তলব করে। এরপর বৃহস্পতিবারই আবার গুপ্তচরবৃত্তির একই ধরনের ঘটনার প্রতিবাদ জানালেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাসনীম আসলাম। পাকিস্তানের ‘দ্য নিউজ’ পত্রিকার খবরে বলা হয়, পিপিপির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির (এনএসএ) নজরদারি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে নওয়াজ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন পরিপন্থি এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশি গোয়েন্দা নজরদারি আদালত এনএসএকে বিদেশি সরকার, সংস্থা ও রাজনৈতিক দলের ওপর গোয়েন্দাগিরি চালানোর অনুমোদন দেয়। আদালতের সম্মতিতে ১৯৩ বিদেশি সরকার ও দলের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালানোর সুযোগ পায় এনএসএ, যার মধ্যে ভারতের বিজেপি ও পাকিস্তানের পিপিপিও ছিল। বৃটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে নজরদারি বিরোধী চুক্তি রয়েছে যু্ক্তরাষ্ট্রের। ওই দেশগুলো ছাড়া ১৯৩টি দেশের বাকিগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি চলেছে।