চৈত্র সংক্রান্তি

বাঙালির পাতে আজ নানা পদ

বাংলা বর্ষের শেষ দিন আজ। চৈত্র মাসের এ দিনটিতে পালিত হয় চৈত্র সংক্রান্তি। চৈত্রসংক্রান্তিতে অনেক বাঙালির রান্নায় দেখা যায় ভিন্নতা। এদিনের পাতে তিতা স্বাদের খাবার থাকে। 

ধারণা করা হয়, তিতা স্বাদ জীবনের কষ্ট, দুঃখ বা তিক্ত অভিজ্ঞতার প্রতীক। এই তিতা স্বাদের খাবার খেয়ে জীবনের সব স্বাদ (মিষ্টি, টক, তিতা) গ্রহণ করার মানসিক প্রস্তুতি নেওয়াকে বোঝানো হয়। যাক সে কথা, এবারের চৈত্র সংক্রান্তিতে ঘরে কিছু ঐতিহ্যবাহী খাবার রান্না করতে পারেন। 

কাঁচা কাঁঠালের তরকারি
চৈত্র সংক্রান্তির আরেকটি উল্লেখোগ্য খাবার কাঁঠালের তরকারি। কাঁচা কাঁঠালের নানা অংশ দিয়ে এই তরকারি রান্না করা হয়। 

গিমা শাক
গ্রামের গৃহিণীরা এ দিন গিমা শাক ও বেগুন দিয়ে তরকারি রান্না করেন। এ সব তরকারি খেতে দেওয়া হয় ব্রত পালনকারি নারীদের।

নিম পাতা
নিমপাতা ও চাল ভেজে এক সঙ্গে খাওয়া চৈত্র সংক্রান্তির পুরনো ধারা। অনেকের ধারণা, এই খাবার খেলে সারা বছর সুস্থ থাকা সম্ভব। 

সজনের চচ্চড়ি
চৈত্র সংক্রান্তিতে অনেক বাড়িতে সজনে চচ্চড়ি রান্না হয়। তা দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়। 

নিরামিষ তরকারি
ব্রত পালন করা নারীরা বিভিন্ন নিরামিষ তরকারি রান্না করেন। বিভিন্ন শাক দিয়ে এই রান্না করা হয়।

তিতা ডাল
চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম খাবার তিতা ডাল। এটিই এই উৎসবের সবচেয়ে বেশি প্রচলিত খাবার।

নারকেল নাডু
এ দিন অনেক বাড়িতে নারকেলের নাডু বানানো হয়। অতিথি আপ্যায়নে চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম অনুসঙ্গ এই খাবার। চৈত্র সংক্রান্তিতে নকশী পিঠাও বানানো হয়।