আজ প্রেমিকা দিবস, সঙ্গীকে আনন্দ দেওয়ার দারুণ সুযোগ

প্রিয় মানুষকে ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা আর বিশেষ অনুভূতির কথা জানানোর দিন হিসেবে আজ বিশ্বজুড়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে পালিত হচ্ছে জাতীয় প্রেমিকা দিবস। 

১ আগস্ট জাতীয় প্রেমিকা দিবস কোনো সরকারি বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত দিবস না হলেও, স্যোশালমিডিয়ায় এটি ব্যাপক জনপ্রিয়। ২০০৬ সালের দিকে দিবসটির প্রচলন শুরু হয়, আর ২০১৪ সালের পর থেকে বিভিন্ন দেশে এটি আরও পরিচিত হয়ে ওঠে।

সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে কিংবা সঙ্গীকে আনন্দ দেওয়ার জন্য এ দিনটি হতে পারে দারুণ একটি সুযোগ।

এ বছর দিনটি শনিবার হওয়ায় সপ্তাহান্তে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে বিশেষ সময় কাটানোর পরিকল্পনা করতে পারেন। জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের প্রয়োজন নেই; ছোট ছোট আন্তরিক উদ্যোগও হয়ে উঠতে পারে স্মরণীয়। জেনে নিন এমনই সাতটি রোমান্টিক উপায়—

চমকে দিন পিকনিকের আয়োজনে-
ক্যাফে বা ক্যান্ডেললাইট ডিনারের পরিবর্তে কাছাকাছি কোনো পার্ক, লেকের ধারে বা মনোরম স্থানে ছোট্ট একটি পিকনিকের আয়োজন করতে পারেন। সঙ্গে নিতে পারেন হালকা নাস্তা, স্যান্ডউইচ, ফল, প্রিয় পানীয়, একটি চাদর এবং দুজনের পছন্দের গানের প্লেলিস্ট। অল্প আয়োজনেই তৈরি হবে রোমান্টিক পরিবেশ।

নিজ হাতে রান্না করুন-
রেস্তোরাঁয় যাওয়ার বদলে ঘরেই প্রিয় মানুষটির জন্য রান্না করতে পারেন। চাইলে একসঙ্গেও রান্না করতে পারেন, যা সময় কাটানোর পাশাপাশি সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করে তুলবে। আর নিজের হাতে তার পছন্দের খাবার তৈরি করলে দিনটি হয়ে উঠবে আরো বিশেষ।

ক্যাফে ঘুরে বেড়ান-
ব্যস্ততার কারণে আলাদা কোনো পরিকল্পনা করা না হলে ক্যাফে ডেট হতে পারে সহজ একটি বিকল্প। শহরের নতুন কোনো ক্যাফে ঘুরে দেখতে পারেন কিংবা অনেক দিন ধরে যাওয়ার কথা ভাবছেন—এমন কোনো জায়গায় যেতে পারেন। কফি, ডেজার্ট আর গল্পে কেটে যাবে সুন্দর কিছু সময়।

যদি তা সম্ভব না হয়, তবে ঘরেই সেই দিনের পরিবেশ তৈরি করুন। সেদিনের মতো খাবার তৈরি করা বা একসঙ্গে দেখা কোনো সিনেমা আবার উপভোগ করতে পারেন। পুরোনো স্মৃতিগুলো নতুন করে জীবন্ত হয়ে উঠবে।

প্রথম ডেটের স্মৃতি ফিরিয়ে আনুন-
বাড়ির বসার ঘরটিকে ছোট্ট একটি সিনেমা হলে রূপ দিতে পারেন। ফেয়ারি লাইট, পপকর্ন আর আরামদায়ক পরিবেশে একসঙ্গে প্রিয় সিনেমা বা নতুন কোনো সিরিজ দেখতে পারেন। নিরিবিলি এই সময়টুকু দুজনের জন্যই হয়ে উঠবে বিশেষ।

ছোট্ট লং ড্রাইভে বেরিয়ে পড়ুন-
অনেক দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। শহরের বাইরে কোনো শান্ত জায়গায় গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। প্রিয় গান শুনতে শুনতে গল্প করুন, ব্যস্ততা থেকে কিছুটা সময় দূরে থাকুন। ফেরার পথে এক কাপ চা বা আইসক্রিম মুহূর্তটিকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে।

স্মৃতির বিশেষ আয়োজন করুন-
একসঙ্গে কাটানো প্রিয় মুহূর্তগুলোর কথা লিখে ছোট ছোট নোট তৈরি করুন এবং বাড়ির বিভিন্ন স্থানে রেখে দিন, যাতে তিনি একে একে সেগুলো খুঁজে পান। সঙ্গে একটি হাতে লেখা চিঠি বা ফুলের তোড়া যোগ করলে চমকটি হবে আরো আন্তরিক ও হৃদয়ছোঁয়া।