বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ২৭ আষাঢ় ১৪২৭
৩০ °সে

অধস্তন আদালতের ১৫ বিচারক করোনায় আক্রান্ত

অধস্তন আদালতের ১৫ বিচারক করোনায় আক্রান্ত
ছবি: সংগৃহীত

অধস্তন আদালতের বিভিন্ন পদ মর্যাদার ১৫ বিচারক এবং ৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া করেনা উপসর্গ নিয়ে আরও চারজন বিচারক আইসোলেশনে আছেন। আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।

তিনি জানান, ভার্চুয়াল কোর্টে বিচারকাজ পরিচালনা এবং দায়িত্ব পালনের সময় এরা আক্রান্ত হয়েছেন। হাইকোর্ট থেকে বিচারকদের চিকিৎসা বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ শাহাজাহান কবির প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন এবং একই দিনে মুন্সিগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল মাজিস্ট্রেট বেগম রোকেয়া রহমানও আক্রান্ত হন। বর্তমানে তারা দুজন সুস্থ হয়ে আবার কাজে যোগ দিয়েছেন। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন লালমনিরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফেরদৌস আহমেদ। তাকে প্লাজমা দেওয়া হয়েছে। আর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮ এর বিচারক বেগম শামীম আহমেদ ও ডিপিডিসি-২ এর স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রেজমিন সুলতানা।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বিচারকদের মধ্যে

বাসায় চিকিৎসা গ্রহণকারীরা হলেন: কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক কিরণ শংকর হালদার, জয়পুরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ. রুস্তম আলী, আইন ও বিচার বিভাগের উপসচিব এস মোহাম্মদ আলী, কুড়িগ্রামের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. তৈয়ব আলী, নেত্রকোনার সহকারি জজ মো. মেহেদী হাসান, চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিপলু কুমার দে, চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেহ মোহাম্মদ নোমান এবং নোয়াখালী হাতিয়া চৌকি আদালতের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নিজাম উদ্দিন।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত ৩৮ জন কর্মচারীর চিকিৎসা বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা জজদের অনুরোধ করা হয়েছে।

গত ১৪ জুন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত অধস্তন আদালতের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মকর্তা-কার্মচারীদের তথ্য চেয়েছিলো সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এ তথ্য চাওয়া হয়। এরপরই সারাদেশ থেকে এ তথ্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

ইত্তেফাক/কেকে

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত