ঢাকা বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬
২৯ °সে


জড়িতদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে :হাইকোর্ট

জড়িতদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে :হাইকোর্ট
ফাইল ছবি

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকন্দ্রের গ্রীনসিটি আবাসন প্রকল্পের আসবাবপত্র ও বালিশ ক্রয়ের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ২০ অক্টোবর এ বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা আদালতকে অবহিত করতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলা হয়েছে। বিচারপতি তারিক-উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এই আদেশ দেন।

এর আগে ঐ দুর্নীতির ঘটনায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হয়। এ পর্যায়ে আদালত রিটকারী আইনজীবীকে বলেন, প্রতিবেদনে আপনি সন্তুষ্ট? যদি সন্তুষ্ট না হন তাহলে নতুন করে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে কি? জবাবে আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন সন্তোষজনক। প্রায় ৫০ জনের মতো সরকারি কর্মকর্তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখানে রাষ্ট্রের অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। এখন এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি তহবিল তছরুপের জন্য ফৌজদারি মামলা হবে কিনা সেটা প্রশ্ন। এ পর্যায়ে আদালত বলেন, আমরা অপেক্ষা করি মন্ত্রণালয় কি ব্যবস্থা নেয়। রিটকারী বলেন, এখন পর্যন্ত ব্যবস্থা নেয়নি। কি ব্যবস্থা নেবে সেজন্য তো অনন্তকাল অপেক্ষা করে থাকাটা ঠিক হবে না।

এ পর্যায়ে আদালতের জিজ্ঞাসার জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, আদালত প্রতিবেদন চেয়েছিল সেটা যেন ঠিকভাবে আদালতে দাখিল করা হয় সেই ব্যবস্থা করেছি। তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। জেনে জানাতে পারব। এরপরই আদালত তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানানোর নির্দেশ দিয়ে রিটের শুনানি মুলতুবি রাখেন।

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকন্দ্রের গ্রীন সিটি আবাসন প্রকল্পে বিছানা, বালিশ ও আসবাবপত্র ক্রয়ের সঙ্গে দুর্নীতির প্রমাণ পায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটি। কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, চারটি ভবনে আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম সরবরাহ কাজের চুক্তি মূল্য ১১৩ কোটি ৬২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। অথচ মালামাল সরবরাহ করা হয়েছে ৭৭ কোটি ২২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন: থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত সাড়ে ৭ হাজার শিশু জন্ম নেয় প্রতিবছর

অর্থাত্ চুক্তি মূল্য সরবরাহ করা মালামালের প্রকৃত মূল্যের চেয়ে ৩৬ কোটি ৪০ লাখ ৯ হাজার টাকা বেশি। এই বাড়তি পরিশোধিত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে ঐ প্রকল্পের প্রকৌশলী মাসুদ আলমসহ প্রায় ৫০ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২১ আগস্ট, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন