বশেমুরবিপ্রবিতে আবারও চুরি, ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা

বশেমুরবিপ্রবিতে আবারও চুরি, ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা
বশেমুরবিপ্রবিতে আবারও চুরি, ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা।ছবি: ইত্তেফাক

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) অফিসার কোয়াটার থেকে এবার স্যানিটারি ফিটিংসসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরির ঘটনা প্রশাসনের নজরে আসে আগস্টের ১২ তারিখে। কিন্তু ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানায়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, এমনটি অভিযোগ করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অনেকে।

সম্প্রতি এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী এস এম এস্কান্দার আলীকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলে বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে আসে।

স্যানিটারি ফিটিংসসহ বিভিন্ন আসবাব চুরির ঘটনায় তেমন কিছুই জানেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও আমাকে অফিসিয়ালি কিছু জানানো হয়নি। আর এটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দায়িত্বে ছিল। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে বলা হয়, নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার পরে ভবনটি অ্যাস্টেট বিভাগের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এটি সম্পর্কে অ্যাস্টেট বিভাগ বলতে পারবে।’

এ বিষয়ে জানার জন্য অ্যাস্টেট অফিসার সৈয়দ আনিসুস সাদেককে বারবার ফোন করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘মাত্র ৫৫ একরের একটা ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা দিতে পারে না প্রশাসন। একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে, অনেক ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আবার চুরির দায় এড়াতে একজন আরেকজনের ওপরে দায় চাপিয়ে দিচ্ছে। এখানে ১২ হাজার শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা কোথায়?’

আরও পড়ুন: উন্নয়ন যোদ্ধার অপর নাম শেখ হাসিনা: সেতুমন্ত্রী

এদিকে চুরির বিষয়টি এতদিন কেন গণমাধ্যমে জানানো হয়নি বা গোপন রাখা হয়েছে এমন প্রশ্নে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এটা প্রশাসনিক বিষয়। এই ব্যাপারে আমাকে প্রশ্ন না করাই ভালো।’

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ দফায় ৫১টি কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ৩৪টি কম্পিউটার উদ্ধার এবং সাতজন গ্রেফতার হলেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে মূল হোতারা।

ইত্তেফাক/এএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত