ঢাকা শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯, ৭ বৈশাখ ১৪২৬
৩৩ °সে

বেসিস সফটএক্সপোতে ৫জি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বেসিস সফটএক্সপোতে ৫জি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
৫জি: নিউ এরা ট্রান্সফরমিং আওয়ার লাইভস, সোসাইটি এন্ড ইন্ড্রাটিস শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা। ছবি: সংগৃহীত

১৫তম বেসিস সফটএক্সপোর শেষ দিনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল '৫জি: নিউ এরা ট্রান্সফরমিং আওয়ার লাইভস, সোসাইটি এন্ড ইন্ড্রাটিস' শীর্ষক সেমিনার। রাজধানীর বসুন্ধরা আনর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসির স্পেক্ট্রাম কমিশনার আমিনুল ইসলাম। অ্যামটবের সাবেক সচিব টিআইএম নুরুল কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জিএসএমের এশিয়া প্যাসিফিকের পরিচালক রাহুল সাহা, এরিকসনের বাংলাদেশ প্রধান আব্দুস সালাম এবং হুয়াওয়ে নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সিইও জ্যাং জ্যানজুন। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীন ফোনের সিটিও রাধে কোভাচেভিচ এবং রবির সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ।

নিজেদের বক্তব্যে বক্তারা বলেন, সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন এর অবকাঠামোগত উন্নয়ন। আর ডিজিটাল উন্নয়নের অন্যতম অবকাঠামো হলো ইন্টারনেট সংযোগ। সমগ্র দেশকে এই সেবার আওতায় না আনা গেলে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রকল্পের সঠিক সুফল হতে বঞ্চিত হবে জাতি। এক্ষেত্রে এই অবকাঠামোগত উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা ৫জি নেটওর্য়াক। ১০ জিবিপিএস গতি সম্পন্ন ৫জি ৪জি এবং ৪.৫ জিবি ইন্টারনেট সেবা হতে ১০ থেকে ১০০ ভাগ উন্নত সেবা প্রদানে সক্ষম।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ফাইভজি রোল আউটে বাংলাদেশের অবস্থান, সরকারের উদ্যোগ, দেশের অবকাঠামোগত দিক থেকে এই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত কিনা এসব বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ৫জি ব্যাবহারে অন্যান্য দেশের উদাহরন দিয়ে বক্তারা জানান' ফাইভ জি-কে জনপ্রিয় করতে ইতিমধ্যেই থাইল্যান্ড একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্বান্ত অনুযায়ী দেশটির সরকারি সংস্থা, অপারেটর ও ভেন্ডর সহ সংশিষ্ট সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ৩ বছরের মধ্যে তারা টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের মোবাইল বাজারের কথা উল্লেখ করে তারা জানান দেশের আমদানীকৃত মোবাইলের ৫০ ভাগেরও বেশি অংশ ফিচার ফোন আমদানি করছে। যা নেটওয়ার্ক থ্রিজি, ফোরজি, ফাইভজি সেবার সুবিধাভোগের ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতা হতে পারে।

বক্তারা বলেন, সর্বত্র বাধাহীন সংযোগ, নেটওয়ার্ক ইকোনমিক্স এন্ড ইনোভেশন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রান্সফরমেশন, ম্যাসিভ আইওটি এন্ড ক্রিটিকাল কমিউনিকেশন এবং ব্রডব্যান্ড এনহান্সড করাই ফাইভজি সেবার মূল সুবিধা। বর্তমান সময়ের মোবাইল গ্রাহক এবং স্মার্টফোন ব্যাবহারকারীরা চায় ডাটা সেবা এবং এই সেবা প্রদান সহজীকরণে ৫জি সেবার প্রয়োজনীয়তাই এখন আলোচ্য। এক্ষেত্রে দেশের জাতীয় আয়ে মোবাইল ইন্টারনেট সহ মোবাইল সেবার অবদানের কথা উল্লেখ করে আলোচকরা বলেন- বাংলাদেশে বর্তমানে ১০ কোটি ইন্টারনেট ব্যাবহারকারী এবং এর সংখ্যা ক্রমবর্ধমান সেই সাথে বাড়ছে স্মার্টফোন ব্যাবহারকারীর সংখ্যাও।

আরও পড়ুন: ফুলবাড়ীতে ট্রলির চাকা মাথায় পড়ে শিশুর মৃত্যু

৫জি সেবা প্রদানে চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, এর অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগের পরিমানটি বেশ বড় তাই এই বিনিয়োগের সফলতা নিশ্চিত করনে প্রয়োজন একটি সঠিক কর্মপরিকল্পনা, পলিসিগত উন্নয়ন সহ সরকার কতৃপক্ষের আন্তরিকতা। টেলিকম খাতের সমম্যা উল্লেখ করে বক্তারা আওে জানান -টেলিকম সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠার সমুহের ব্যবসায়িক মডেলে বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ন তাই সরকার সহ সংশ্লিষ্ঠ সকল খাতের সমন্নয় ব্যাতীত ৫জি প্রচলন ও প্রসার কঠিন। এছাড়াও ৫জি সেবা চালু হলে তথ্যপ্রযুক্তিখাতের উন্নয়ন সহ বর্তমান অবকাঠামোগত সমস্যা বিশেষ করে ৩জি এবং ৪ জি সেবা প্রদানের সমস্যা সমুহ নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা সেই সাথে এই সমস্যা মোকাবেলা সহ ৫জির সম্ভাবনাকে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়গুলোতে ও আলোক পাত করেন বক্তারা।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ এপ্রিল, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন