দলটাকে ভালো ম্যাচের জন্য তৈরি করতে চান জেমি

দলটাকে ভালো ম্যাচের জন্য তৈরি করতে চান জেমি
ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচ জেমি ডে।ছবি: সংগৃহীত

করোনার কারণে সাত মাস ফুটবল থেকে দূরে ছিলেন খেলোয়াড়রা। করোনা এখনো শেষ হয়নি। এর মধ্যে বাফুফে আন্তর্জাতিক ফুটবল আয়োজন নিয়ে সাহস দেখিয়েছে। নেপাল আসবে ঢাকায়। আগামী ১৩ এবং ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ফিফা প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ইংল্যান্ড হতে ঢাকায় কথা বলেছেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচ জেমি ডে। হাতে সময় কম। ৩৬ ফুটবলার ঢাকা হয়েছে আগামীকাল। সোনারগাঁও হোটেলে উঠবেন ফুটবলাররা। ২০ দিন হাতে সময় পাচ্ছেন খেলোয়াড়। জেমি ডে ইংল্যান্ড হতে জানিয়েছেন তিনি এই ২০ দিনের মধ্যে দলটাকে তৈরি করতে চান। খেলোয়াড়দের নিয়ে তার মূল লক্ষ্য হচ্ছে টেকনিক্যাল, ট্যাকটিক্যাল এবং ফিজিক্যাল ফিটনেস যতটা আনা যায়। কোচ মানছেন এত স্বল্প সময় পূরণ করা সম্ভব না। তার পরও সময়ের পুরোটা কাজে লাগাতে চান। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ জিততে চান জেমি। বললেন, ‘জয় একটা বিষয় সেই সঙ্গে আগামী বছর বিশ্বকাপ বাছাইয়ের যে খেলাগুলো রয়েছে। পুরো দলটাকে উন্নতি করাতে হলে ম্যাচ দুটো কাজে লাগবে।’

নেপালের র্যাংকিং ১৭০ হলেও করোনার কারণে নেপালের খেলোয়াড়রাও ফুটবল থেকে দূরে ছিলেন। জেমি বলছেন, ‘নেপাল এবং বাংলাদেশ একই সময়ে অনুশীলন শুরু করছে। ফিটনেসের হিসাবে নেপাল এবং বাংলাদেশ এই মুহূর্তে সমান অবস্থা রয়েছে।’

জেমি এবং তার স্বদেশি সহকারী কোচ স্টুুয়ার্টওয়াটকিস এবং ফিনল্যান্ড হতে ফুটবলার কাজী তারিক আসবেন এবং নভেম্বর। এছাড়ও গোলকিপিং কোচ, ফিজিওথেরাপিস্ট ও ফিটনেস কোচ আসবেন। এই বিদেশির নিয়োগ প্রায় সম্পন্ন। আপাতত মাসুদ পারভেজ কায়সার, পারভেজ বাবু, গোলাম জিলানী ফুটবলারদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

আরও পড়ুন: ব্যালটের চেয়ে ইভিএমে ভোট ৩৯ শতাংশেরও কম

নেপাল ঢাকায় আসতে পারে ৫ নভেম্বর। তার আগে রবিবার বাফুফে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে ম্যাচ নিয়ে কোভিড সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে জট খুলতে চায়।

নেপাল বিশেষ বিমানে আসবে। তারা কোভিড টেস্ট করিয়ে আসার পরও ঢাকায় আরেক দফা টেস্ট করানো হবে বলে জানিয়েছেন কাজী নাবিল আহমেদ। নেপালের অনুশীলনের জন্য শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব এবং বাংলাদেশের জন্য বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ও কমলাপুর স্টেডিয়াম রাখা হয়েছে।

সাধারণ দর্শক বাংলাদেশ নেপাল ম্যাচ দুটি দেখতে পারবেন কি না সেটা নিশ্চিত নয়। তবে যেহেতু বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বিরাট সংখ্যক দর্শক ধারণ ক্ষমতা রয়েছে তাই বাফুফে মনে করছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিছু দর্শক প্রবেশ করতে পারবেন। ফ্লাড লাইট সমস্যা থাকলে দুই খেলাই সন্ধ্যার আগেই শেষ হতে পারে।

ইত্তেফাক/এএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত